রোহিঙ্গা সংকট, সীমান্ত অস্থিরতা এবং মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সম্পর্ক বর্তমানে অত্যন্ত টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে গণআন্দোলনে আরাকান আর্মি এবং ব্যাপক সংখ্যক রোহিঙ্গাদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। তখন আরাকন আর্মিকে কথা দেওয়া হয়, যদি সরকার পরিবর্তন হয় তাহলে তাদের ব্যাক আপ দেওয়া হেব ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক। পাশাপাশি, রোহিঙ্গাদের অনেক শর্ত দেওয়া হেয়ছিল। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার একদিকে আরাকান আর্মিকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া ছিল সম্পূর্ণ পালন করতে পারছে না। সম্পতি মায়ানমারের ১২ জন ব্যবসায়ীকে অপহরণ করা হয়েছে। এই অপহরণের বিরুদ্ধে মায়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার বাংলাদেশকে একাধিকবার চিঠি লিখে জানানো হয়েছে। সঙ্গে ১২ জন ব্যবসায়ীকে ফেরত চাওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এর ফলে মায়ানমার সরকার ক্ষুদ্ধ। তাদের নেতা কর্মীরকা ক্ষুদ্ধ। মায়ানমার সরকারের যে আন্তর্জাতিক মিত্র রয়েছে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়। আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বদলা নেওয়া হবে। এবার কী বদলা নেওয়া হবে সেই প্রশ্ন সামনে আসছে?
দুটি জায়গায় হামলা চালানো হবে। মিসাইল এবং ড্রোন অ্যাটাক হবে। গোয়ান্দা সূত্রে মারফত এমন খবর পাওয়া গিয়েছে। এই খবর পাওয়ার পর থেকে ভারতের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয় যদি তারা কোনও আক্রমণে যায় সেটা যেন ৪৮ ঘন্টা পরে করে। ভারতের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘন্টা সময় চেয়ে নেওয়া হয়েছিল । এ ই সময় ভারত তার সকল পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে আনতে পারে সেই মতো ভারত সকল ফ্যামিলি মেম্বারদের ফিরিয়ে নেয়। খুলনা থেকে আরও বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে তাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই তাদেরকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার কথা ভেবে পরিবারের সদস্যদেরকে সরানো হয়েছে।
অন্যদিকে অনেক দিন পর আজকে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে আসছেন। নেতা-কর্মীরা চাইছেন শেখ হাসিনা ক্যামেরার সামনে আসুক। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনার বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ। সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় আজ,শেখ হাসিনাকে উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলে উল্লেখ করেছেন। বাংলাদেশে ২৪ দিনের মাথায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে আওয়ামী লিগকে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনের প্রাক্কালে দিল্লির অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল উপস্থিতির সিদ্ধান্ত ঘিরে কূটনৈতিক মহলে চর্চা অন্ক দিন আগে থেকে শুরু হয়েছে । আওয়ামী লিগ ইতিমধ্যেই ওই নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। শেখ হাসিনা ডাক দিয়েছেন ‘নো বোট নো ভোট’। বোট বা নৌকা হল আওয়ামী লিগের নির্বাচনী প্রতীক। দলের সভায় হাসিনা বলেছেন, ‘ব্যালটে নেই নৌকা, বুথ থাকবে ফাঁকা।’ দলের সমর্থকদের বলেছেন, ভোট বয়কট করতে। আজ শেখ হাসিনা কী কী বক্তব্য দেন সেই দিকেই নজর জনসাধারণ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের।












Discussion about this post