তারেক জিয়া বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে যদি শক্ত হাতে বিচার শুরু করেন, তাহলে কি কি যে বেরিয়ে আসবে জুলাইযুদ্ধ নামের জঙ্গীবাদ থেকে, তা ভেবেই অবাক লাগছে। তদারকী সরকার পতনের পর জুলাই আন্দোলোন নিয়ে যা সব তথ্য বেরিয়ে আসছে, তাতে জুলাইকে আর আন্দোলোন বলা যাচ্ছে না। এটি একটি জঙ্গীবাদ,যার মাধ্যমে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের যারা অপরাধী, তাদের বিচার করার অপরাধে শেখ হাসিনাকে মিথ্যে মামলায় ফাসিয়ে হত্যার ষড়যন্ত্র, এবং যে পুলিশ বাহীনি সর্বপ্রথম পাক হানাদার বাহীনির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিল সেই পুলিশ বাহীনিকে শাস্তি দিতে তাদের পুড়িয়ে হত্যা এবং দেশকে এবং দেশের ভবিষ্যৎকে পশ্চিমাদের কাছে বিকিয়ে দেওয়া, এরই পোশাকি নাম হল মহান জুলাই আন্দোলোন। কিন্তু এগুলি হল দৃশ্যমান, হতে পারে কিছু হয়তো বলতে ভুলে যাচ্ছি, আপনারা কমেন্ট করে মনে করিয়ে দেবেন। কিন্তু ভিতরের লুকানো খবর আরও ভয়ঙ্কর।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে ঘিরে উঠে এসেছে বিস্ফোরক দুর্নীতির অভিযোগ। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় নিশ্চিত করার পাশাপাশি ‘সেটেলিং বাণিজ্য’ ও রাজসাক্ষী বানানোর নামে শত শত কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন খোদ প্রসিকিউশন টিমের ভেতরের সদস্যরা।এই অভিযোগ যদি সত্য হয়, তাহলে শুধু একজন আইনজীবীর দুর্নীতিই নয়—প্রশ্নের মুখে পড়বে পুরো বিচার প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা।ট্রাইব্যুনাল কি ন্যায়বিচারের মঞ্চ ছিল, নাকি রাজনৈতিক এজেন্ডা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের হাতিয়ার? এগুলি করে দেশকে শুধুমাত্র পঞ্চাশ বছর পিছিয়ে দেওয়াই নয়, বাংলাদেশের অস্তিত্ব মিটিয়ে আবার পূর্বপাকিস্তানে পরিনত করার ছক পুরোপুরি পাকা ছিল। অপেক্ষা ছিল শুধুমাত্র জামাত বাহিনীর জয়ের। যদিও বৈদেশিক চাপ না থাকলে ভোট বলে কোন ঘটনার অবতারনাই হত না। আর এমনিতেই যারা এই কারণে ঐ জুলাই নামের জঙ্গী আন্দোলোনে নেমেছিলেন, যে তারা ১৭ বছর ধরে ভোট দিতে পারেন নি। তাদের গনতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। তো এখন যে ভোটটি হয়ে গেল, তাতে কি দলমত এবং পদ নির্বিশেষে সবাই ভোট দিতে পেরেছেন, পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তাটির ভোটই তো অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে। ফলে গনতন্ত্র হরণ হয়েছে বলে কোন লাভ নাই। এখন জামাত বলছে বিএনপি ভোটে কারচুপি করেছে। কিন্তু ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে জামাতই বেশী করে ভোটে কারচুপি করেছে। শুধু মাত্র আওয়ামীলীগের সমর্থকরা চায়নি যে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কেউ ক্ষমতায় আসুক, তাই তারা বিএনপিকে ঢালাও ভোট দিয়েছে, কারণ বিএনপি আওয়ামীলীগ বা দেশের শত্রু নয় রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরোধী মাত্র। আর এটি আমাদের মনগড়া কথা নয় বলছে জামাত এনসিপির নেতা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। যারা বলছে আওয়ামীলীগ দুরনীতি করেছে ১৭ বছর ধরে, তাদের বিচার করার আগে যারা ছাত্রনেতা থেকে উপদেষ্টা ছিল, তাদের বাংলাদেশে আটকে রেখে, তাদের সম্পদের হিসাব করে দেখেন, এই ছাত্ররা কাঁচা বয়সেই দূর্নীতিতে কিভাবে হাত পাকিয়েছে।তাদের দূর্নীতি দেখে গত চুয়ান্ন বছরের যে কোন দূর্নিতী লজ্জ্বা পাবে। আর এগুলির প্রমান তো আপনাদের চোখের সামনে।। আসলে বিএনপি যাতে এই সব দূর্নীতির দিকে নজর না দেয় তার জন্য তাদের আক্রমন করা হচ্ছে। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলোনে যাওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে। জামাতের সামান্য কেরানী তাজিজুল ইসলাম যিনি ট্রাইব্যুনালের চিপ প্রসিকিউটর ছিলেন তাকে সরানো হয়েছে। কিন্তু তিনি যে সবার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা চাঁদা নিয়েছেন মামলা বানিজ্য করেছেন, তাকে কেন চাঁদাবাজ বলেছে না এনসিপি এবং জামাত, সেই টাকাগুলিতো তাদের ঘরেই ঢুকেছে। শুধু পুলিশ এবং নেতাকর্মীদের থেকে টাকা নেওয়াই নয়, দেশের সেনাঅফিসার দের থেকেও টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠছে। সত্যি বলতে এখন তো সবে শুরু।












Discussion about this post