২০২৪ এর ৫ ই আগস্ট, দেশ ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন তিনি। আর সেই সময় বাংলাদেশের গঠিত হয় মহঃ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার। পরপর কয়েকটি ঘটনা জেরে সম্পর্ক আর আগের মত নেই দুই পড়শী দেশের মধ্যে। বাংলাদেশে ভারত বিদ্বেষ বাড়ছে। আর এই বিদ্বেষী মনোভাবের আবহে হাত-পা গুটিয়ে কি বসে থাকবে ভারত সরকার? যদি কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে মোদি সরকার?
উল্লেখ্য, প্রতিটি দেশের সার্বভৌমিকতা কে যথাযথ সম্মান দিতে হবে। সার্বভৌম দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ করাকে অন্য চোখে দেখা হয়। ভারত একমাত্র বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় অর্থাৎ স্বাধীনতার সময় হস্তক্ষেপ করেছিল কারণ, সেই সময় বহু উদ্বাস্তু ভারতে চলে আসেন পূর্ব পাকিস্তান থেকে, যুদ্ধে জড়িয়ে যায়।
শুধু মার্কিন সফর সেরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে হোয়াইট হাউজের দুই দেশের রাষ্ট্র নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক থেকে এসেছে নানা বিষয়। আর সেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন বাংলাদেশের যে সমস্ত সমস্যা রয়েছে সবটাই সমাধান করবে ভারত সরকার। বাংলাদেশের পুরো বিষয়টি নরেন্দ্র মোদীর উপর ছেড়ে দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুই দেশের রাষ্ট্রনেতা বাংলাদেশ নিয়ে কি বললেন শুনুন,
বাইট
এখন বিশেষজ্ঞ মহলে প্রশ্ন উঠছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কিভাবে পুরো বিষয়টি এগিয়ে সমস্ত দায়ভার ভারতের উপর চাপিয়ে দিতে পারে? তবে কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকার সমস্ত কর্তব্য থেকে বিরত থাকছে, হলে তিনি বাংলাদেশ ইস্যুতে কোনরকম পদক্ষেপ না করে সমস্ত বিষয়টি নরেন্দ্র মোদির উপর কিভাবে চাপিয়ে দেন। আর এর মাঝে প্রশ্ন উঠছে ভারত তাহলে কি পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে? ভারত কি তবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর পথে হাঁটবে?
ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে পাঁচই অগাস্ট দেশ ছাড়ার পর ঠিক ছয় মাস পর ৫ই ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তৃতা দেন। তার সরকার ফেলে দেওয়ার পেছনে মূল চক্র হিসেবে সরাসরি নিশানা করেন মোহাম্মদ ইউনুসকে। এরপর দিন 6 ফেব্রুয়ারি, ভারতের অ্যাক্টিং হাইকমিশনার কে ডেকে পাঠায় অন্তর্ভুক্তি সরকার। ভারতকে অনুরোধ করা হয় শেখ হাসিনার ভারতে বসে প্রতি মুহূর্তে সরকারবিরোধী ভাষণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেওয়া বন্ধ করা হোক। কিন্তু এই অনুরোধের পর চুপ করে থাকেনি নয়া দিল্লিও।
৭ই ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের অ্যাক্টিং হাই কমিশনার কেউ তবে করল নয়া দিল্লি। জানালো ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের এই বিরূপ মন্তব্য আশানুরূপ নয়। বন্ধু দুই দেশের মধ্যে এখন মূলত বন্ধুত্বের স্রোত।
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপুঞ্জের বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন যায় এবং রাষ্ট্রপুঞ্জের হাই কমিশনরের আছে অভিযোগ জানানো যায়। মানবাধিকার লঙ্ঘন এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে একটি আলোচনায় বসানো যেতে পারে। ভারত বাংলাদেশ দিপাক্ষিক আলোচনাতেও বসতে পারে । আমেরিকা হস্তক্ষেপও করতে পারে।
সংখ্যালঘু হিন্দু ও সাধারণ মানুষ কে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ ইউনুস সরকার কেমন উঠছে তেমনি পাল্টা অভিযোগ উঠছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও।
সম্প্রতি রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে, শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন। অন্যদিকে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরই আমেরিকায় যান মোহাম্মদ ইউনুস। সাক্ষাৎ করেন জো বাইডেনের সঙ্গে। শেখ হাসিনার দাবি, জো বাইডেন ষড়যন্ত্র করেন তার সরকার ফেলে দেওয়ার।












Discussion about this post