এইবার ইউনূসের ইউটার্ন। রাতারাতি ভোল বদল। ইউনূসের মুখে এবার ভারতের প্রশংসা। এমনকি চীনকেও তোষামোদ করে চলছেন ইউনুস। কিন্তু কেন? কেন এমন সুর নরম করলেন মোহম্মদ ইউনূস? তবে কি ইউনুস বুঝে গেলেন, বাংলাদেশকে বাঁচতে হলে ভারতের সঙ্গে মিত্রভাব রাখতে হবে? বঙ্গোপসাগর নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, আমাদের দেশের দুই দিকে মহা শক্তিধর দুটি দেশ। ভারত এবং চীন। ভারত ও চীনের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়তে থাকে, তবে তার দৃঢ় বিশ্বাস বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ চমৎকার।
ওয়াকিবহাল মহল বলছে, মোদি ট্রাম্পের বৈঠকের এফেক্ট। ছমাস কেটে গিয়েছে হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছে। তারপরই দেখা গিয়েছে ভারত বিরোধী জিগির। যতদিন গিয়েছে ততই বিদ্বেষ বেড়েছে ভারতের প্রতি। কিন্তু ভারতের তরফে কোনও বিরূপ মন্তব্য করা হয়নি বাংলাদেশকে নিয়ে। বরং বাংলাদেশকে শান্ত হতে বারবার অনুরোধ করেছে ভারত। কড়া পদক্ষেপ করা হয়নি। শান্তির বার্তা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যরা বারবার ভারতের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে।
যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, ইউনূসের ভারতের প্রতি এই মনোভাব তৈরি হবে, আগে থেকেই আঁচ করা গিয়েছিল। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর। আর সেটাই ঘটলো। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় বসার পর মোদীর সঙ্গে বৈঠকে বসার আহ্বান করেন। বৈঠকে উঠে আসে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচিত বিভিন্ন পরিকল্পনা কিভাবে দুই দেশের বাণিজ্যিক আধিপত্য ছড়িয়ে দেওয়া যায় গোটা বিশ্ব দরবারে। পাশাপাশি বিশ্বের কাছে চীনের আধিপত্য কিভাবে কমানো যায়। কীভাবে বিভিন্ন দেশে শান্তি বজায় থাকে। তারপরই ওঠে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা নরেন্দ্র মোদির মুখ থেকে শোনেন। শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম। তিনি জানান, বাংলাদেশের বিষয়টি আমি বন্ধু মোদির ওপরে ছাড়লাম। যদিও বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলি এর অন্য ব্যাখ্যা করতে চেয়েছে। কিন্তু রাতারাতি ইউনূসের এই রকম ভোল বদলে এটা স্পষ্ট, বাংলাদেশ ভয় পেয়েছে। আর সেই কারণেই, ভারতের প্রশংসা নোবেল জয়ীর গলায়।
এখন দেখার, এই বিষয়ে ভারতের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া আসে কিনা। এর পাশাপাশি ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক যে তলানিতে পৌঁছেছিল, সেই সমীকরণ কোথায় গিয়ে দাড়ায় ইউনূসের এর বক্তব্যের পর!












Discussion about this post