বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সময় কি এগিয়ে এল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেত গেলে সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং তার দেশে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে অনেক আলোচনা আগে হয়েছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বলছে অন্য কথা।এবার হয়তো সময় এসে গেছে তিনি ২৬ শে মার্চের আগে যে কোন দিন দেশে ফিরতে পারেন।
কারণ ইউনূস সাহেব আর কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন তা বলা মুশকিল,আর পিছনে সেনা নয়, তার আদরের ছাত্ররাই দায়ী। একে তো তারা সেনার সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছে এবং ইউনূস সাহেব আওয়ামীলিগ নিষিদ্ধ না করার যে বয়ান দিয়েছেন, তারও তীব্র প্রতিবাদ এসেছে ছাত্রদের তরফ থেকে। আর এই কারণেই এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ইউনূস সাহেবের তদারকীতে ভোট হলে হাসিনা হয়তো দেশে ফিরতে পারবেন না। কিন্তু সেনার তদরকীতে ভোট হলে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সমস্যা থাকবেনা। আর এই রকম পরিস্থিতি কী তৈরী হতে যাচ্ছে, যে কারণে হাসিনাও দিল্লী থেকে কলকাতায় এসে অবস্থান করতে চাইছেন।
আসলে সেনাপ্রধানকেও হাতের পুতুল ভেবে বসেছিল ছাত্রনেতারা। জায়গামতো ডান্ডা পড়তেই সব ঠান্ডা। ভয়ে যা খুশি বকতে শুরু করেছে ছাত্রনেতারা। আর এই যা খুশি বকতে গিয়েই শুরু হয়েছে গন্ডোগোল। সাধারণ মানুষের মনে এখন প্রশ্ন যে ঘটনাগুলি অনেক আগের তা এখন জনসমক্ষে তোলার মানে কি। নিশ্চয় রফাতে কোথাও কি গন্ডোগোল হয়েছে। সেনাপ্রধান ইউনূস সাহেবকে মেনে নিতে চাননি, তা তো সেনাপ্রধানের দিক থেকে যু্ক্তি যুক্ত কারণ তার বিরুদ্ধে তো মামলা ছিলই। সেটা যদি প্রতিশোধ মুলক হয়, তাহলে তো হাসিনার বিরুদ্ধে যে মামলাগুলি আছে সেগুলিও প্রতিশোধ মুলক। আর সেনাবাহীনি বা সেনাপ্রধান যাদের সঙ্গে ছাত্রনেতাদের আলোচনা হয়েছিল ১১ই মার্চ, তা ২১ শে মার্চে এসে কেন প্রকাশ করা হল। তাও আবার বানিয়ে গুছিয়ে মিথ্যে করে প্রকাশ করা হল, এবং হাসনাতের সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ যে মিথ্যে সেটি বলেছে আর এক ছাত্রনেতা সারজিস। অর্থাৎ পিনাকী বাবু দেশের বাইরে থেকে উস্কানি দেবেন আর মূর্খ ছাত্ররা সেই উস্কানিতে সেনার বিরুদ্ধে গিয়ে যা খুশি তাই বলবে। কিন্তু এই ছাত্রনেতাদের বোঝা উচিৎ পিনাকি বাবুতো এখন বাইরে থেকে উস্কানি না দিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, এখন তো তাদেরই সরকার।কিন্তু তিনি সেটি করার সাহস দেখাতে পারছেন না। উল্টে মাঝে মধ্যে হাসিনাকে পালিয়ে গেছে, পালিয়ে গেছে বলে চিৎকার করছেন।
হাসিনা যখন ফিরবেন, তখন তো একটি নির্বাচিত সরকারকে জনগনকে ভুল বুঝিয়ে আন্দোলোনের নামে দেশে অরজাকতা সৃষ্টির জন্য বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। সেই ভয়ই তাদের ভুল পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করছে, যার ফলে হাসিনার দেশে ফেরার সময় দ্রুত এগিয়ে আসছে। কারণ দেশে ছাড়ার সময়ও হাসিনাকে সুরক্ষিত পৌঁছে দেওয়ার বিদেশী চাপ ছিল সেনাপ্রধানের উপর। এবার হাসিনাকে দেশে সুরক্ষা দেওয়ার চাপও তৈরী হয়েছে বিদেশ থেকে। তাই হয়তো খুব তাড়াতাড়ি সেনার দখলে যেতে বসেছে বাংলাদেশ এবং তরান্বিত হতে চলেছে হাসিনার বাংলাদেশে ফেরা।












Discussion about this post