সম্প্রতি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ঘটে যায় ধ্বংসলীলা। আর এই ঘটনায় নিশ্চুপ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। আর যারা এই বিক্ষোভ ভাঙচুর লুটপাট চালালো তারা মূলত সরকার সমর্থিত। বলা যায় সরকারের মদতেই এই ভাঙচুর করা হয়।
এই তান্ডবের ঘটনার পরদিন সে দেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি অনভিপ্রেত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে, ভারতে বসে শেখ হাসিনার উস্কানি মূলক বক্তব্যের দ্বারাই ক্ষুব্ধ হয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যার ফলেই এই ভাঙচুরের ঘটনা এই ক্রোধেরই প্রতিক্রিয়া এমনটাই জানানো হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসউইং এর তরফে।
এর থেকে বোঝাই যাচ্ছে বাংলাদেশে শুধুমাত্র কাগজে-কলমে একজন সরকার রয়েছেন, কার্যকরী কোন সরকার আপাতত নেই বললেই চলে।
উল্লেখ্য বিক্ষুব্ধ জনতার ভাঙচুর চালিয়ে ধ্বংসের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জয়সোয়ালের মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। তিনি বলেন, ‘এটা দুঃখজনক যে, দখলদার শক্তি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের প্রতীক শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িটি ৫ ফেব্রুয়ারি ধ্বংস করা হয়েছে।’
রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘বাঙালি পরিচয় ও গর্বকে লালনকারী স্বাধীনতাসংগ্রামকে যাঁরা মূল্যায়ন করেন, তাঁরা বাংলাদেশের জাতীয় চেতনার জন্য এই বাসভবনের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত আছেন। এই ভাঙচুরের ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানানো উচিত।’
হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আহ্বানের জবাব দেওয়া হয়নি ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের আশ্রয়ে আছেন। বাংলাদেশ সরকার তাঁকে প্রত্যপর্ণের জন্য ভারতের কাছে আহ্বান জানিয়েছে। সেই আহ্বানের জবাব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কৃতি বর্ধন সিং। বৃহস্পতিবার ভারতের রাজ্যসভায় লিখিত প্রশ্নের জবাবে কৃতি বর্ধন সিং এ কথা বলেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।












Discussion about this post