বিস্ফোরক বাংলাদেশের সেনাপ্রধান। জেনারেল ওয়াকার উজ জামান যে বিস্ফোরক বার্তা দিয়েছেন, কার্যত তা বাংলাদেশে তুমুল জল্পনার জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ২৩ মার্চ শেখ হাসিনার দেশে ফেরা কি নিশ্চিত করলেন সেনাপ্রধান? তিনি কেন এই বার্তা দিলেন? কাকে উদ্দেশ্য করে বার্তা দিতে চাইলেন?
জানা গিয়েছে তিনটি বিভাগকে মূলত বার্তা দিতে চেয়েছেন সেনাপ্রধান। প্রথমত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও সমন্বয়কদের, দ্বিতীয়তঃ দুর্বৃত্তের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের এবং সবশেষে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী ও সমর্থকদের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বেশ কিছুদিন আগেই দেখা গিয়েছিল সেনা প্রধানের বিরুদ্ধে নানা রকম চক্রান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেনাপ্রধান সেই সমস্ত চক্রান্ত ভেস্তে দিয়ে সকলকে একত্রিত করে আত্মবিশ্বাসের সহিত একজন যোগ্য সেনা নায়কের মত বার্তা দিলেন বাংলাদেশের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে। তবে সেনাপ্রধানের এই কড়া হুশিয়ারিতে রাতের ঘুম উড়েছে মোঃ ইউনুসর। কারণ ইউনুস এই বার্তার পর উপদেষ্টা মন্ডলীদের নিয়ে একটি রুদ্ধ তার বৈঠক করেছেন।
এই দিন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান তার বার্তায় তুলে ধরেছিলেন ইনক্লুসিভ ইলেকশন এর কথা। আর ইনক্লুসিভ ইলেকশন হলে সেখানে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। তাই এটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না যে আওয়ামী লীগ ও অংশগ্রহণ করতে চলেছে নির্বাচণে। তার জন্য শেখ হাসিনাকেও সেদেশে ফিরতে হবে। সেনাপ্রধানের এই বার্তা তে আরো একবার স্পষ্ট হলো শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা। নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের পক্ষে কতটা ইতিবাচক বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান শুনুন…
ঘটনা প্রবাহ যেভাবে এগোচ্ছে তাতে ধরে নেওয়া এটাই যে ২৩ শে মার্চের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চলেছেন শেখ হাসিনা। আর সেই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনেকটাই কন্ট্রোল হয়ে যাবে। তবে প্রশ্ন উঠছে শেখ হাসিনা যদি এই আবহে দেশে ফেরেন তবে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি থাকছে? তবে ভারত চেয়ে শেখ হাসিনার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেই তাকে দেশে ফেরত পাঠাবে তা বলাই যায়। সেনাবাহিনীর সক্রিয়তার পাশাপাশি দেশের ক্ষমতা অধিকাংশ নিজের হাতে নিতে সক্ষম হয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। আর তার হাতে দেশের ক্ষমতা চলে আসাতে হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা আরো জোড়ালো হচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধানের এই নির্বাচন প্রসঙ্গে বার্তার পর একটি সিকিউর স্যাটেলাইট ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে, সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান।
আর সেই বৈঠকেই মূলত গত কিছু দিনে বাংলাদেশের কি অবস্থা ছিল এখন বর্তমানে কি অবস্থা আছে, এবং আগামী ৭ দিনে কি অবস্থানে যেতে পারে বাংলাদেশ পুরোটির একটি রোডম্যাপ তৈরি করে নিয়েছেন শেখ হাসিনা।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ সাত মাসের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনের বিরুদ্ধে এবার কড়া হাতে মোকাবিলা করতে মাঠে নেমেছেন সেনাপ্রধান তা বলাই বাহুল্য। সেনাবাহিনীর এই সক্রিয়তা এবং তাদের দেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা বুঝাতে আগামী সাত দিনে বাংলাদেশের ধরপাকড় শুরু হবে বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।












Discussion about this post