৩২ নম্বর ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর বাড়িটিকে বুলডোজার দিয়ে ধুলিস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। আর এই ধ্বংসলীলা কে উৎসবে পরিণত করার জন্য হাজার হাজার মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন, মূলত তারা শেখ হাসিনা বিরোধী ও আওয়ামী লীগ বিরোধী। এখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা কেউ কেউ বলেছেন সেই জায়গায় শৌচালয়, জুলাই বিপ্লবের যারা শহীদ তাদের বাসভবন নির্মাণের কথা।
এরপর আরো একটি ঘটনা ধানমন্ডিতে অবস্থিত শেখ হাসিনার স্বামী বাসভবন অর্থাৎ যেটি সুধা সদন নামে পরিচিত সেখানেও আগুন লাগানো হয়েছে। সেখানেও চলে ধ্বংসলীলা। এই ধ্বংসলীলা চলেছে আরও বিভিন্ন আওয়ামী লীগ নেতার বাসভবনে।
আরে কর্মকান্দির পর যারাই কর্মকাণ্ডের যুক্ত ছিল তাদের মধ্যে একটি উৎসবের মনোভাব কাজ করছে। এককথায় বলা যায় আওয়ামী লীগের যারা দসর ছিলেন তারাই এখন রীতিমতো জানাচ্ছেন যে এই গোটা ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের যত নেতা মন্ত্রী আমলা আছেন তাদের বাসভবনে ধ্বংসলীলা চালাবেন তারা।
উল্লেখ্য, ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর বাড়ি যারা ধ্বংস করেছেন তাদের পরিকল্পনা ছিল তাদের পরবর্তী টার্গেট হবে টুঙ্গিপাড়া, তারা ঢাকা থেকে সদলবলে টুঙ্গিপাড়া পৌছাবে সেখানে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর যে বাসভবন সেটি তারা ভাঙচুর করবে। যদিও এখনও পর্যন্ত তার মাজার বা কবরস্থান ধ্বংস করার কথা বলা হয়নি। তবে সেখানে দুটি বাড়ি রয়েছে, একটি বঙ্গবন্ধুর পৈত্রিক বাড়ি ও অপরটি শেখ হাসিনা বসবাসের জন্য নতুন নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়াও সেখানে রয়েছে শেখ সেলিম সাহেবের ভবন। আর এই টুংকি পাড়ায় যদি ভাঙচুর হয় বিভিন্ন বাস ট্রাক ভর্তি করে যদি সেখানে মানুষ জমায়েত হয় তাহলে সেই পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দেওয়া হবে সেটা নিয়ে হয়তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তারাই চিন্তাভাবনা করবেন।
এই আবহে ধ্বংসলীলা কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছে, এই ধ্বংস লীলার কারণ কি? প্রথমত প্রকৃতিগত কারণে এই ঘটনাটি ঘটেছে। আওয়ামী লীগের তার শাসনামলে এরকম বহু উপস্থাপনা ধ্বংস করেছে, এমনকি আরও বহু মানুষের উপস্থাপনা ধ্বংস করার চেষ্টাও করেছিল, যার ফলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অভিশাপ এবং চোখের জল তাদেরকে গ্রাস করেছিল। বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ভাঙার কথা আমরা সকলেই জানি। তাই শেখ হাসিনার নিজের বাসভবন নিয়ে যতটা আবেগ রয়েছে অন্যদেরও নিজেদের বাসভবন নিয়ে ঠিক একই আবেগ কাজ করে।












Discussion about this post