বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করল, তারাই নিজেদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করল অন্তবর্তী সরকার। ইউনূস সরকার, যিনি দেশের উন্নয়ন নিয়ে ভাবার থেকে তিনি কতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারেন তারই বন্দোবস্ত করছেন। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে বহু ব্যবসা, নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তোলা স্থাপত্য। সারা দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। অত্যাচারিত হচ্ছেন বহু মানুষ। কেউ প্রতিবাদ করলে তার মুখ বন্ধ করে, শাসানি দেওয়া হচ্ছে। ১৯৭১ সালে যেমন ৩০ লক্ষ্য শহীদের প্রাণের বিনিময়ে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের উত্থান ঘটেছিল। তার ঠিক ৫৩ বছর পরে স্বরাচারি ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে আর একটি স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতার উত্থান করে হল। ১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা সরকার কট্টরপন্থী মৌলবাদী সংগঠনগুলির মুখ বন্ধ করে রেখেছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, অবাধে তাদের জেল মুক্ত করে দিয়েছে ইউনূস। ফলে বাংলাদেশ এখন সন্ত্রাসবাদীদের দেশ হয়ে উঠছে।
তবে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান চুপ করে থাকেনি। তিনি বিভিন্ন সময়ে হয় এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন, আর না হয় তিনি বাংলাদেশের রাস্তাতে নামিয়েছেন সেনাবাহিনীকে।এমনকি বিভিন্ন সময় বুঝিয়ে দিয়েছেন, একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মাহমুদ ইউনূস কখনই সঠিক নয়। তার আমলে বাংলাদেশে চলছে অরাজকতা। যা একেবারেই বিশ্ব দরবারে ভালো প্রতিচ্ছবি হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হাস্যকৌতুক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে নামিয়ে নিয়ে এসেছে তদারকি সরকার। এই পরিস্থিতিতে স্থায়ী সরকারের জন্য নির্বাচন প্রয়োজন হলেও তাতে কর্ণপাত করছে না মহম্মদ ইউনূস। সেই নিয়ে সরকারের অন্দরে নানা বিষয়ে জল্পনা উঠে আসছে। নির্বাচনের কোনও উচ্চবাচ্য নেই বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার মুখে। অনেকে বলছেন, বাংলাদেশে গঠিত হয়েছে নতুন রাজনৈতিক দল। তাদের সুবিধা করে দিতেই নির্বাচন ঠেকাতে চাইছেন ইউনূস। তবে নির্বাচন হলে, আওয়ামী লীগই জিতবে। মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। তারপরই দেশে ফিরবে শেখ হাসিনা। আর সেটা জানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার। তাই ছলে বলে কৌশলে নির্বাচন পিছতে চাইছে ইউনূসের সরকার। তবে দেশের সেনাপ্রধান থাকতে, নির্বাচন তো হবেই। আর সেই নির্বাচনে জয়ী হবে আওয়ামীলীগ। ফের ক্ষমতায় আসীন হবেন শেখ হাসিনা।












Discussion about this post