‘ধীরে ধীরে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ’।
দেনা বাড়ছে ইউনূসের। দেনা দেশের কাছে। হাসিনা সহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যালে মামলা রুজু করল তদারকির সরকার। এই ২৫ জনের মধ্যে রয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেডওয়ানুল ইসলাম, মেজর মহম্মদ রাফাত বিন আলাম মুন, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, হাসিনা আমলের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকি, দুই জন পুলিশ কর্তা। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডাইরেক্টর জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজ্যান্স-য়ের বা ডিজিএফআই) প্রাক্তন পাঁচ পরিচালক। আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বলা হয়েছে। বুধবার প্রসিকিউশন পৃথক দুই মামলায়র আনু্ষ্ঠানিক চার্জ বা অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রথম মামলার অভিযুক্তরা হলেন, শেখ হাসিনা, তারেক আহমেদ সিদ্দিক, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাক্তন আইজিপি বেনজির আহমেদ, এম খুরশিদ হোসেন, ব্যারিস্টার হারুন রশিদ, প্রাক্তন ডিজি কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো জাহাঙ্গির আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তাফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এমন আজাদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো কামরুল হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুব আলম, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম, লে কর্নেল (অব) মুহম্মদ খায়রুল ইসলাম, কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন। দ্বিতীয় মামলার আসামীরা হলেন, শেখ হাসিনা, তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএইআই-য়ের প্রাক্তন ডিজি লে. জেনারেল মো. আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল সহ আরও অনেকে। বেঞ্চ তিন বিচারকে নিয়ে গঠিত। এই তিন বিচারক হলেন চিফ প্রসিকিউটার মোহাম্মদ তাজমুল ইসলাম, মো. শফিউল আলম মামুদ এবং মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবির প্রাক্তনকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম সহ চারজনের বিরুদ্ধও চার্জ গঠন করা হয়েছে ১ ট্রাইব্যুনালে। চিফ প্রসিকিউটার বলেন, গণ অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার পতনের পর কেউ জীবিত ফিরেছেন। আবার অনেকের খোঁজ মেলেনি। বন্দিশালাকে হাসপাতাল বা ক্লিনিক বলা হত। আর গুমের শিকার বা ভুক্তোভুগীদের কোড ছিল সাবজেক্ট।
এমন একটা কিছু হতে পারে, তা আগাম জেনে যান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। সম্প্রতি তিনি অফিসারদের একটি আলোচনাসভায় বলেন, ‘আমাদের অফিসারদের প্রিজনভ্যানে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে, তা কল্পনা করতেও আমার কষ্ট হয়। আমাদের ব্রাদার অফিসারদের এই অপমানের মুখোমুখি হতে হবে আমরা এটা কীভাবে সহ্য করব ? তাদের দোষ কী? তারা যা করেছে তা তো নির্দেশেই করেছে। আমি এই বিষয়টি নিয়ে সবার কাছে গিয়েছি। কিন্তু কেউ শোনেনি। আমি তোমাদের কথা দিচ্ছি আমি ভবিষ্যতের রাজনৈতিক দল যারা ক্ষমতায় আসবে তাদের কাছ থেকে এই অফিসারদের জন্য ইনডেমনিটি দাবি করব। ইনডেমনিটি না পেয়ে যাব না। ’
অর্থাৎ ওয়াকার-উজ জামান এই বিচার প্রক্রিয়া মেনে নিতে পারছেন না। শত হলে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠই সেনাকর্মী। হাসিনার শাসনামলে এই সেনাকর্তারা (প্রাক্তন এবং কর্মরত) যা কিছু করেছেন সেটা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই করেছেন। এরা নির্দোষ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post