কোন দেশের উস্কানিতে লালকেল্লায় বিস্ফোরণ, সাউথব্লক থেকে সরকারিভাবে এখনও তা ঘোষণা করা হয়নি। ধরপাকড় চলছে। জাতীয় তদন্ত সংস্থা অনেকগুলি কোড উদ্ধার করেছে। সে সব কোডের কিছু কোড বা সংকেত ইতিমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমের দৌলতে দেশবাসী জেনে গিয়েছে। কিছু নমুনা এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা যাক। ‘দাওয়াত মে বিরিয়ানা তৈয়ার হ্যায়’, ‘আসলি কাম শুরু হোনা হ্যায় চারকে বাদ’।
নাম জড়িয়ে গিয়েছে তুরস্কের। তুরস্কের একজন, যার কোডনেম ‘উকাশা’। আরবিতে যার অর্থ মাকড়সার জাল। জাতীয় তদন্ত সংস্থার তদন্তে উঠে এসেছে বিস্ফোরণের জন্য জঙ্গিরা ব্যবহার করেছিল ‘দাওয়াত’ শব্দটি। নাম জড়িয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের। ভারতের একটি গণমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দিল্লির বিস্ফোরণে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে দুজন বাংলাদেশি। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণের পরে পরে জম্মু-কাশ্মীর থেকে পুলিশ দুজন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে। তারা যে সরাসরি জড়িত, সেটা এখনও সরকারিভাবে বলা হয়নি। তবে জেরা চলছে। জেরা করে তাদের থেকে যে সব তথ্য পাওয়া গিয়েছে, সেই সব তথ্যের সঙ্গে বিস্ফোরণের পর উঠে আসা তথ্য তদন্তকারীরা মিলিয়ে দেখছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃত দুই বাংলাদেশির নাম প্রকাশ করা হয়নি। প্রকাশ করে হয়নি বাংলাদেশে তাদের বাড়ি কোথায়।
এই দুই বাংলাদেশির সঙ্গে পদ্মাপারে অন্য কারও যোগাযোগ রয়েছে কি না, বা পাকিস্তানের কোনও সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে কি না, জাতীয় তদন্ত সংস্থা সব কিছু খতিয়ে দেখছে। দিল্লি বিস্ফোরণ সন্ত্রাসী হামলা কি না, সাউথব্লক সেটা জানাতে বেশ কিছুটা সময় নেয়। কারণ, জাতীয় তদন্ত সংস্থা বা দিল্লি পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট দিতে কিছুটা সময় নিয়েছিল। সেই রিপোর্ট দেখার পর সাউথব্লক জানায় এটা সন্ত্রাসী হামলা। উল্লেখ করা যেতে পারে, ভুটান থেকে ফেরার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার জরুরী বৈঠক ডেকেছিলেন। সেই বৈঠকে লালকেল্লার বিস্ফোরণ নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা হয় জাতীয় তদন্ত সংস্থা এবং দিল্লি পুলিশের দেওয়া রিপোর্ট নিয়ে।
তবে একটা বিষয় বেশ স্পষ্ট। দিল্লির বিস্ফোরণের উৎস খোঁজার জন্য জাতীয় তদন্ত সংস্থা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কোনওভাবে যদি দেখা যায় এই ঘটনায় বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করা হয়েছিল, তাহলে সাউথব্লক যে কড়া পদক্ষেপ করবে, তা সহজেই অনুমেয়। আমাদের সেনাগোয়েন্দারা সম্প্রতি বাংলাদেশ যায়। সে দেশের সেনাকর্তা ওয়াকারের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে তুলে দেওয়া হয়েছিল স্যাটেলাইট ইমেজ। যেখানে ধরা পড়েছে সীমান্তে মুদি দোকানের মতো তৈরি হয়েছে জঙ্গি শিবির। অপরদিকে, ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে সে দেশের গুপ্তচর সংস্থা তাদের একটি দফতর খুলে বসেছে। সাউথব্লক থেকে ঢাকা এবং পাকিস্তান দূতাবাসে আইএসআইয়ের কার্যকলাপের ওপর গোপনে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছ, দিল্লি বিস্ফোরণের জন্য মশলা সংগ্রহ করা হয়েছিল হরিয়ানা নূহ, ফরিদাবাদ, গুরুগ্রাম এবং উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর থেকে। একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, গত সাত মাস ধরে ফরিদাবাদ মডিউল চালাচ্ছিলেন চিকিৎসক উমর। তিন চার মাস ধরে নুহতে বিভিন্ন রাসায়নিক দোকান, সারের দোকানে কৃষক এবং খনি কর্মীর পরিচয় দিয়ে সংগ্রহ করে নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম। এগুলিকে একত্রে বলা হয় এনপিকে
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post