এক বিস্ফোরণ, জড়িয়ে তিন দেশ। তবে ভারত যে তাড়াহুড়ো করে কোন দেশ কে দোষী করতে চায় না, তা বুঝে গেছে আমেরিকাও। আমেরিকার ইচ্ছাটি জানার আগে, এই বিস্ফোরণে জড়িয়ে থাকা তিন দেশ নিয়ে আলোচনা করা যাক। ঘটনার পর থেকেই তদন্ত চলছে দ্রুততার সঙ্গে এবং সঠিক পথে যা স্বিকার করেছে আমেরিকাও। কিন্তু সরকারীভাবে ভারত কখনই বাংলাদেশের নাম নেয়নি। কিন্তু ঠাকুর ঘরে কে, আমি তো কলা খায়নি। এমনই ঘটনা ঘটালেন তৌহিদ হোসেন। দুই জন বাংলাদেশী গ্রেফতার হয়েছে শুনে তার বলা উচিৎ ছিল, ভারতের তদন্তে তারা পূর্ণ সহযোগীতা করবে, তা না বলে বলা হল দিল্লী বিস্ফোরণে বাংলাদেশ কোন ভাবেই যুক্ত নয়। গোটা পৃথিবী জানে আপনারা ৫ই আগস্টের পর বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দিয়েছেন, কোথাও কোথাও আবার তাদের ফুলের মালা পরিয়েছেন। সেগুলি তো সারা বিশ্ব দেখেছে। আপনারা হাফিজ সইদকে দেশে প্রশয় দিচ্ছেন, আবার সেই হাফিজ সইদের সংগঠনই এই ঘটনাটিকে অপারেট করেছে। তবে বাংলাদেশের জন্য সুখবর হল ভারত বাংলাদেশে অপারেশন সিন্দুরের মত কোন অভিযান চালাবে না। কারণ সামনেই সে দেশে নির্বাচন। আর ভারত চায় যে, সে দেশে ভোট শান্তিতে হোক। ভারতকে উস্কে দিয়ে ভোট বাঞ্চালের কোন সূযোগ পাবে না ইউনূস সরকার। যদিও আজকের আওয়ামীলীগের লক ডাউন সফল হওয়ার পর তিনি কতদিন দেশে থাকবেন তা তিনিই বলতে পারবেন। বিভিন্ন জায়গায় শিবির আগুন লাগিয়ে ককটেল বোমা ফাটিয়ে চেষ্টা করেছে, আওয়ামীলীগের এই লকডাউনকে বদনাম করতে, তবে দেশের সর্বস্তরের মানুষ আজ আওয়ামীলীগের পক্ষ্যে দাঁড়িয়েছে। দিল্লী বিস্ফোরণে তুর্কির যোগ সাজেস আসতেই, এ্যারদোগান ভারতের মিডিয়াকে দোষ দিয়ে বাঁচতে চেয়েছে। কিন্তু তুর্কির যোগ স্পষ্ট হচ্ছে। সন্দেহের আর একটি কারণ কিছুদিন আগে ভারতের তিনটি এপাচে হেলিকপ্টার আমেরিকা হয়ে লন্ডনে আসে, সেখান থেকে ভারতের জন্য রওনা দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তারা ফের আমেরিকা ফিরে যায়। কারণ তুর্কি শেষ মহুর্তে তাদের এয়ার পেস দিতে চায়নি। কারণ তুর্কি জানত যে ভারতে বিস্ফোরণের মত ঘটনা ঘটবে। আর তুর্কি এটাও জানে ভারত তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কারী দেশের ভিতরে ঢুকে হামলা চালায়। তাই তারা এপাচে হেলিকপ্টারগুলিকে ভারতে আসতে বাঁধা দিয়েছিল। শেষ যে দেশটির কথা বলতে চাইছি, সেটি হল পাকিস্তান। যারা নিজেরাই প্রমান করে দিয়েছে যে তারাই এই ঘটনার পিছনে মূল মাথা। তাই সম্ভাব্য হামলার কথা ভেবে তারা তাদের দেশে, একই রকম ঘটনা ঘটিয়ে ভারতের নামে দোষ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু কোন দেশ তাদের এই অভিযোগকে পাত্তা দেয়নি। ফলে তারা আরও এক ধাপ আগিয়ে বলতে শুরু করেছে যে, তারা এক সঙ্গে ভারত এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করতে সক্ষম। কিন্তু ভিতরে ভিতরে তাদের অবস্থা খুবই খারাপ। কারণ আমেরিকা প্রথমে দিল্লী বিস্ফোরণকে আতঙ্কী হামলা ঘোষনা করতে চায়নি, কিন্তু ভারত সরকার ক্যাবিনেটের জরুরী বৈঠকের পর যখন ঘোষনা করল যে, ভারত এটিকে আতঙ্কী হামলা বলে দেখছে, তখন আমেরিকাও এটিকে আতঙ্কী হামলা বলছে, শুধু তাই নয়, তারা ভারতকে তদন্তে সাহায্য করতেও চেয়েছিল। যদিও ভারত আমেরিকার সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। এবং স্বিকার করে ভারত নিজেরাই তদন্ত করতে সক্ষম। অন্যদিকে চিনও এই ঘটনার নিন্দা করেছে। ফলে পাকিস্তান বুঝতে পেরেছে এবার তারা আমেরিকা এবং চিনকে সরাসরি সহযোগী হিসাবে পাবে না। তবে পর্দার পিছনে অন্য খেলাও হতে পারে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post