হঠাৎই বাংলাদেশের চট্টগ্রামে আমেরিকান যুদ্ধ বিমান দেখা গিয়েছে। তিনটি যুদ্ধ বিমানের সঙ্গে কয়েকটি হেলিকপ্টারের আনাগোনা। যা ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, শতাধিক আমরিকান সৈন্য দেখা যাচ্ছে। যে হোটেলে তারা অবস্থান করছেন, সেখানে তাদের পরিচয় দেওয়া হচ্ছে না। কি এমন ঘটছে বাংলাদেশে? প্রশ্ন যেমন উঠছে, ঠিক একইভাবে প্রশ্ন উঠছে, কি উদ্দেশ্য তাদের? কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি দেশটা বিক্রি হয়ে গেল? মহম্মুদ ইউনূস কি দেশটাকে ট্রাম্পের কাছে বিক্রি করে দিলেন? এর পিছনে ঘটনা কি? বলছে সরকার কর্তৃপক্ষ? কি বলছে আইএসপিআর, চলুন আলোচনা করা যাক
হঠাৎই চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আমেরিকান যুদ্ধ বিমান দেখা গিয়েছে। এমনকি হেলিকপ্টারের সমাগম দেখা গিয়েছে। বিভিন্ন সময় মহড়া দেখা যাচ্ছে। যে সমস্ত আমেরিকান সৈন্যরা বাংলাদেশে এসেছে, তারা যে হোটেলে অবস্থান করছে, তাতে কোনও পরিচয় দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু কেন? অনেকে বলছেন, গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কিন্তু কারা গুজব ছড়াচ্ছে? আমেরিকান সৈন্যরা এবং আমেরিকান যুদ্ধ জাহাজ, বিমান কেন বাংলাদেশে অবস্থান করছে? আমেরিকান যুদ্ধ বিমানকে নিয়ে নানা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। অনেকে আবার বলছেন, আমেরিকা এই জায়গায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করছে। আর সেটার মূল উদ্দেশ্যে, চিন ও ভারতকে চাপে রাখা। আমেরিকার এই পরিকল্পনা নিয়ে বহুদিন ধরে আলোচনা চলছে। আমেরিকা করিডোরের মাধ্যমে এক ধরনের খাঁটি গাড়তে চাইছে। এমনকি সেন্ট মার্টিনে তারা খাঁটি গাড়তে চাইছে বহুদিন ধরে।
এদিকে বাংলাদেশ আমেরিকান যুদ্ধবিমানের অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন ছবি সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে, দেশটা আমেরিকার কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে। তবে বাংলাদেশ আইএসপিআরের তরফে বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। আইএসপিআরের পক্ষ থেকে পর পর দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, এটা কোনও অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ড নয়। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে যেটা হচ্ছে সেটা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে আমেরিকার বাহিনীর একটি যৌথ মহড়া। এই যৌথ মহড়ার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা যায়। এর আগেও আমেরিকা সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এই ধরনের যৌথ মহড়া করেছে। এমনটাই জানানো হয়েছে আইসপিআরের তরফে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর আগে যে সমস্ত দেশে আমেরিকার আধিপত্য দেখা গিয়েছে, সেই দেশের পরিণতি খুব একটা ভালোর দিকে যায়নি। ফলে বাংলাদেশের পরিণতিও যে ভালো হবে না, সেটা বলাই বাহুল্য। এর পাশাপাশি সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, চীন, ভারত ও রাশিয়ার বৈঠক। যেটার জন্য আমেরিকা আশঙ্কা থেকে বাংলাদেশকে ব্যবহার করে, চীন ও ভারতের উপর নজরদারি বাড়ানোর জন্য কি কোনওভাবে পরিকল্পনা করছে? উঠছে প্রশ্ন। এখন দেখার, বাংলাদেশ এক্ষেত্রে কোন পথে হাঁটে!












Discussion about this post