এনসিপি বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অঙ্গীকার করেছে। ৫ ই অগাস্ট হাসিনার সরকার পতনের পরে বাংলাদেশের মানুষ একটা সময় এইটা বিশ্বাসও করেছিল। কিন্তু এনসিপি গঠিত হওয়ার পরে নানান ধরণের কর্মকান্ড এই স্বপ্নকে ভঙ্গ করার কারণ হয়েছে। যা বাংলাদেশের জন্য অস্বস্তিকর একটি খবর। শাহবাগে একটি কনভেনশন হলে এনসিপির একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেইখানে এনসিপির দুই পক্ষের ছাত্র নেতারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। হেলমেট দিয়ে চলে মারধর সাথে চলে ঘুষি ও লাথি। সংঘর্ষে রক্তাক্ত এবং আহত হন অনেকে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই সংঘর্ষের কারণ অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ। প্রশ্ন উঠছে, কী কারণে এই অর্থনৈতিক লেনদেন ? তাহলে কী তারা কোথাও চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ভাগ বাটোয়ারায় সম্যসা হয়েছিল ? সমাজমাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পরে। ঘটনায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য।
বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে কনভেনশন হলের তৃতীয় তলায় এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর – দক্ষিণ ও ঢাকা জেলার সম্বনয় সভা চলছিল। সভা চলাকালীন কনভেনশন হলের দ্বিতীয় তলায় মহম্মদপুর ও মহম্মদপুর বসিলা ও বংশাল থানার এনসিপির নেতা – কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পূর্বের আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির দুই দলের সংঘর্ষ ঘটেছে। ঘটনায় সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও তোলার কাজে বাধাও দেন তারা।
প্রায় তিন মাস আগে বংশাল থানার কয়েকজন নেতা মহম্মদপুরের একটি কোম্পানির সাথে আর্থিক বিষয়ে আলোচনা করতে যান। তারা বিষয়টি ঢাকা মহানগর উত্তর থানা সোহেব কে অবহিত করেন। সোহেব মহম্মদপুর থানার নেতা রিহান কে তাদের সহযোগিতা করতে বলেন। অভিযোগ, রিহান ওই সময় বংশাল থানার নেতাদের থেকে ২ লক্ষ টাকা নেয়। সাথে তাদের আটকে রাখার চেষ্টা করলে তারা কৌশলে পালিয়ে আসে। তারা পরে বহুবার রিহানের থেকে টাকা ফেরত চাইলে রিহান তা দিতে অস্বীকার করে। বংশাল নেতা – কর্মীরা শুক্রবার কনভেনশন হলে রেহানকে দেখতে পেলে তাকে ঘিরে ধরেন। টাকা – পয়সা নিয়ে কথাকাটাকাটি হলে তা একপর্যায়ে সংঘর্ষে পরিণত হয়।
বিভিন্ন টকশোতে এনসিপির নেতারা বলেন, একটা উদহারণ দেখা এনসিপির কোনও নেতা – কর্মীরা কোনও ধরণের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, বাণিজ্য এধরণের কিছুর সাথে জড়িত। তারা বিভিন্নজনকে শোকজ করা, বহিঃস্কার করা, নোটিশ দেওয়া এধরণের ঘটনা করার পরেও তারা স্বীকার করে না তারা ঘুষ ও বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে জড়িত।












Discussion about this post