বড় বিপদ মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের। ভয়ঙ্কর বিপদে চিনও। তার কারণ,
মিয়ানমারে আরাকান আর্মি ফের খেল শুরু করেছে। আর এর জেরে চীনের যে বিপদ বাড়ছে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মিয়ানমারে একটি শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে একটি জায়গাতে জুন্টা বাহিনীর ব্যাটেলিয়ান দখল করে নিয়েছে আরকান আর্মী। অর্থাৎ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। আরো ভয়ংকর বিষয় হল, ওই জায়গাতেই চীনের একটি তৈল শোধনাগার প্রকল্প ছিল। যেটিও দখল করতে আরাকান আর্মিদের সময় লাগবে না। এমনটাই সূত্র মারফত খবর। অর্থাৎ মিয়ানমারের জুন্টা সরকার কার্যত ভেঙে পড়ছে। এর পাশাপাশি ইউনূসের ভুল চালে গোটা বাংলাদেশের বিপদ আসন্ন। মানছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
মায়ানমারে আরাকান আর্মী দাপাচ্ছে, সেটা পরিষ্কার। আসলে জুন্টা সরকার, সেটা সেনাবাহিনী শাসন, যেটা কোনওভাবেই মিয়ানমারের মানুষ মেনে নেয়নি। মায়ানমারে যখন গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোট হয়, তখন অন্য একটি রাজনৈতিক দল জয়ী হয়। তখন তখনই সেনাবাহিনীর জুন্টা ঠিক করে, মায়ানমারে সামরিক শাসন জারি করবে। সেই কারণেই, যখন আরাকান আর্মি দখল করতে শুরু করে, তখন মায়ানমারের বহু সাধারণ মানুষ তাদেরকে সাহায্য করে। তবে আরাজনরা হঠাৎ কেন জুনতার বিরুদ্ধে গিয়ে দখল এবং লড়াই করতে শুরু করল? আসলে এই জুন্টা চীন ঘেঁষা। তারা চীন পন্থী। এমনকি মায়ানমারে চিনা আধিপত্য লক্ষ্য করা যায়। এই জন্য কিয়াউকফিউ তে জুন্টা সরকারের একটি ব্যাটালিয়ন ছিল, সেটিকে দখল করে নিয়েছে আরাকান আর্মী।
এদিকে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ বাংলাদেশ একটি ভুল চাল দিয়ে ফেলেছে। মিয়ানমারের একটি অংশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য। শুধু তাই নয় আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরে একটি পরিকল্পনা করছে, সেখানে খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তৈরি করার জন্য। এই জন্য তারা আরাকান আর্মিকে সাপোর্ট করতে চাইছে। ফলে এই মুহূর্তে বাংলাদেশি হল হাতিয়ার আমেরিকার কাছে। বাংলাদেশকে কাজে লাগিয়ে মানবিক করিডর তৈরি করে আরাকানদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার লক্ষ্য আমেরিকার। আসলে বিষয়টি হলো, চীনের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করবে আরাকান আর্মি। মিয়ানমারের ক্ষমতায় এলে এটাই তাদের প্রথম কাজ। আর এই সূত্র ধরেই আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে। অর্থাৎ বলা যায়, আমেরিকার একটি বড় স্বার্থ রয়েছে এর পিছনে। ফলে বাংলাদেশ মানবিক অরিদুর দিলে তার মধ্য দিয়ে অস্ত্র তুলে দেবে আমেরিকা। ফলে লড়াই আরও জোরদার হবে। শুধু তাই নয়, তখনই চীন আরো সক্রিয় হবে। অর্থাৎ আমেরিকার সঙ্গে চীনের সরাসরি তখন সংঘাত তৈরি হবে। এতে বিপদে পড়বে বাংলাদেশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মানবিক করিডোর ইস্যুতে বারবার প্রক্সি ওয়ারের কথা বলেছেন। আর সেটি সত্যি হবে বলে বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ রাও। এখানে ভুল চাল দিয়ে ফেলেছেন মহম্মদ ইউনুস। যেটা ঘিরে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান থেকে একাধিক রাজনৈতিক দল ইউনুসকে দুষতে শুরু করেছে। এখন সেই বিপদ কিভাবে সামলাবেন তিনি, সেটাই দেখার।












Discussion about this post