বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল দের আজ একসঙ্গে হজ যাত্রার কথা ছিল আরো ন জন সেনা কর্তার সঙ্গে।কিন্তু দেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির কথা ভেবে, এবং ইউনূস বাহিনীর দেশ নিয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দুরদর্শিতার অভাবের কারণে সেই যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের জনগনের মধ্যে ক্ষোভ এবং এই আগুন কিন্তু কেয়ারটেকার সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোহাম্মদ ইউনুস এর বিরুদ্ধে। সেনা প্রধান ওয়াকার উদ জামান গত শনিবার একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের এই অগ্নিগর্ভ পরিবেশ সামাল দিতে পারে কেবলমাত্র নির্বাচিত সরকার, কোনও অনির্বাচিত উৎশৃঙ্খল বাহীনি দ্বারা নয়। সেনাবাহিনী গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে পারে, আর কিছু নয়, কিন্তু বর্তামান পরিস্থিতিতে সেনাকে বরবার বলতে হচ্ছে তাদের শরীরে বিন্দুমাত্র ক্ষমতা থাকা পর্যন্ত তারা আরাকান এবং রাখাইন করিডরের বিরোধীতা করবেই, এবং দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে তারা যে কোন বলিদান না ত্যাগ স্থিকার করতে প্রস্তুত। সেনা প্রধান ও দেশের আট টি রাজনৈতিক দল নির্বাচন চায় ডিসেম্বর এর মধ্যে। ইউনুস এবং তাঁর সমর্থন কারী ছাত্ররা চায় ২০২৬ এর জুন এ নির্বাচন।
ইতিমধ্যে ইউনুস সেনাপ্রধান এবং আট রাজনৈতিক দলের পিছনে বিদেশী রাষ্ট্রের জুজু দেখছেন। বিশেষ করে ভারতের কথাই বলতে চাইছেন তদারকী সরকার। সেনাপ্রধান হজ যাত্রা না করলেও সম্প্রতি চার দিনের রাশিয়া সফর করেছেন। নৌ প্রধান সৌদি আরব গিয়েছিলেন। তথ্য বলছে অভিজ্ঞ মহল এই দুই সফরকে খাটো করে দেখতে নারাজ।অনেকেই মনে করছেন অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সেনা শাসনের পথেই যাবে । ক্ষমতায় মদমত্ত নোবেল জয়ী মোহাম্মদ ইউনুস এখন জামাত কে হাতিয়ার করে এগোচ্ছেন। জামাতের দাবি – আগে হাসিনা দাও, পরে নির্বাচন। ভারতের ওপর নিরন্তর চাপ আর দেশে শত্রু সনাক্ত করা ইউনুস এর লক্ষ্য এখন সেই দিকেই। ঘরে বাইরে প্রবল বিরোধিতা, ইউনুস এখন কাঁটার মুকুট পরে বসে। এই মুকুট ফুলের মুকুট হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।গতকাল অর্থাৎ সোমবার আঠাশ টি রাজনৌতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইউনুস। যদিও তাঁর দাবি যে একটি বা দুটি রাজনৈতিক দল ছাড়া বাকি দলগুলির জুনে নির্বাচনে আপত্তি নেই — কিন্তু বাস্তব অবস্থাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ছাত্রদের দল কেবলমাত্র জুলাই সনদ এর আগে নির্বাচন ঘোষণার বিরোধী। কিন্তু বৃহৎ রাজনৈতিক দল বি এন পি পর্যন্ত মনে করছে যে একমাসের মধ্যে নির্বাচনি সংস্কার করা সম্ভব। তাই ডিসেম্বর এ নির্বাচন হতে বাধা নেই। এমনকি জামাত যাদের ওপর সওযার হতে চাইছেন ইউনুস, তারা পর্যন্ত মে জুন মাসে আবহাওয়ার কারণে ভোট না চেয়ে, চাইছে ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল এর মধ্যে। এরই মাঝে রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর সঙ্গে সেনা প্রধানদের বৈঠক ও বঙ্গ ভবনে সেনার রুট মার্চ গভীর কৌতূহলের সৃষ্টি করছে। তবে কী ইউনুস বিদায় আসন্ন? বাতাসে কিন্তু বারুদের গন্ধ!












Discussion about this post