বাংলাদেশে যে কোনও মুহূর্তে আওয়ামীলীগ প্রবেশ করে কিছু ঘটাতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনাও ফিরতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকে দেশে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এমনকি চলছে পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা। তবে কি সত্যিই আওয়ামী লীগ ফিরতে চলেছে বাংলাদেশে? তবে কি আগস্টে পরিকল্পনা আর সেপ্টেম্বরে কাম ব্যাক? তার কারণ, অগাস্ট মাসেও আওয়ামী লীগের ফিরে আসার একটি হাওয়া তোলা হয়েছিল। কিন্তু সেই ভাবে অগাস্টে কিছু দেখা যায়নি। অনেকে বলছেন, অগাস্টে পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর সেপ্টেম্বর মাসে সেটা বাস্তবায়িত হবে। আসলে ঢাকাতে খেলা দেখাবে শেখ হাসিনা।
গোটা অগাষ্ট মাস জুড়ে শোনা গিয়েছিল, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে তৎপরতা চালাচ্ছে। তারা বাংলাদেশে ফেরার একটি ক্ষেত্র তৈরি করছে। এমনকি সেই সময় পুলিশের তরফেও সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু অগাস্ট মাসে সেরকম কিছু লক্ষ্য করা যায়নি। এখন বাংলাদেশের গণমাধ্যম বলছে, সেপ্টেম্বর, নির্দিষ্ট করে ২৯ সেপ্টেম্বরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নানা পরিকল্পনা করছে। সেই পরিকল্পনার নাকি করা হচ্ছে, নয়া দিল্লি থেকে।
আরও বেশি করে এই ধারণার ইন্ধন দিয়েছে, চিন, রাশিয়া, ভারতের সঙ্গে বৈঠক। নতুন করে বন্ধুত্ব। যেটা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশে পড়বে। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে আবার বাংলাদেশের কেউ কেউ বলছেন, এই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনাকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করছেন। এমন নানা কথা সামনে আসছে। এমনকি বলা হচ্ছে, তারা করতে পারে, অন্তবর্তী সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ। জাতীয় নির্বাচন বানচাল করা। বিরোধী শক্তির মধ্যে বিভেদ তৈরি করা। কিন্তু প্রশ্ন হল, শেখ হাসিনা যদি কোনও পরিকল্পনা করেই থাকে, বা ভারত যদি শেখ হাসিনাকে দিয়ে কোনও পরিকল্পনা করায়, তবে সেটা এত সহজে বাইরে চলে এল? এটা কি আদেও বিশ্বাসযোগ্য? উঠছে প্রশ্ন।
এর পাশাপাশি বলা হচ্ছে, ঢাকাতে নাকি ২০ লক্ষ মানুষ সমাগম করতে পারে আওয়ামী লীগ। আর সেই কারণে গোটা সেপ্টেম্বর মাস ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা শুরু হয়েছে। কারণ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে তৎপরতা বাড়িয়েছে। পরপর তিনটি মিছিল করেছে শেখ হাসিনার দল। একটি হয়েছে ধানমন্ডি এবং অন্যটি বনানীতে। আরও একটি মিছিল হয়েছে গুলশানে। মিছিলে অংশগ্রহণ ছিল বেশ অনেক মানুষের। তারা সবাই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী তাই নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও ছিল। অর্থাৎ বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ যে ধীরে ধীরে নিজেদের ক্ষেত্র বাড়াচ্ছে, সেটা স্পষ্ট। কিন্তু তারা ঢাকা বা বাংলাদেশকে অবরুদ্ধ করার জন্য পরিকল্পনা করবে, এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। তবে এখন দেখার, আওয়ামী লীগকে নিয়ে কথা হচ্ছে বাংলাদেশে, তার শিকে ভাগও দেখা যায় কিনা!












Discussion about this post