শুক্রবারকে কেন্দ্র করে ইসলামিক দলগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এবার মিছিল করার জন্য শুক্রবারকে বেছে নিল আওয়ামী লীগ। সেটা ঘিরেও নানাভাবে বিশেষজ্ঞরা বিশ্লেষণ করছেন। ঢাকায় আওয়ামীলীগ তিনটি বড় মিছিল করেছে। সেখান থেকে অবশ্য কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে কি আওয়ামী লীগ মিছিলে লোক সংখ্যা বাড়াতে সক্ষম হচ্ছে? তাহলে যেভাবে বাংলাদেশে চাউর করা হচ্ছে যে, আওয়ামী লীগ বড় পরিকল্পনা করছে, সেটা কি সঠিক? কারণ ইতিমধ্যেই শেখ হাসিনার দল রাজপথে ক্ষমতা দেখাতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি ইউনূসের হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তার কারণ যেভাবে জুম্মার নামাজের পরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকা। তাতে একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে।স
শুক্রবারটিকে বেছে নিয়ে জুম্মার নামাজের পর সবথেকে বড় শোডাউন করল তেজগাঁও অঞ্চলে। এই জায়গা সহ তিন জায়গায় মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ। আটক করা হয়েছে ৮ জনকে। জানা যায়, তেজগাঁওয়ের ওই মিছিল থেকে আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মীরা শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর নামে স্লোগান দেয়। তারপরই পুলিশ আধিকারিকরা প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে সাত জনকে গ্রেফতার করে। অন্য আরেকটি মিছিল থেকে আর এক জনকে আটক করা হয়েছে। সেই সময় অন্যরা পালিয়ে যায়। তাদের জিজ্ঞাসা করার জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। এমনকি আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে বড় কিছু ঘটাতে পারে, সেই আশঙ্কা থেকে পুলিস প্রশাসন মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু তারপও দেখা যাচ্ছে, সমস্ত বাধা পেরিয়ে একের পর এক মিছিল করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। তাদের গ্রেফতার করা হলেও, এটা স্পষ্ট সাধারণ মানুষের মন থেকে এখনও শেখ হাসিনার দলকে মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি। কারণ আওয়ামী লীগের প্রতিটা মিছিলে শুধুমাত্র দলের নেতাকর্মীরা রয়েছে তাই নয়, রয়েছে সাধারণ জনগণও। ফলে সরকারকে এই বিষয়টি যে উদ্বেগে ফেলেছে, সেটা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে বলা হচ্ছে, সেপ্টেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় পরিকল্পনা করেছেন। পাশাপাশি ২৯ সেপ্টেম্বরকে ঘিরে কিছু একটা করতে পারে, সেটাও বলা হচ্ছে। তবে কি সত্যিই ঢাকা অ্যাটাকের মত কিছু হতে চলেছে বাংলাদেশে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে ভারতে আশ্রয়ে রয়েছেন শেখ হাসিনা। ফলে তিনি দেশে নেই বলে যে চুপ করে বসে থাকবেন, তা একেবারেই নয়। এমনকি বিভিন্ন সময় অডিও বার্তার মাধ্যমে দেশে ফেরার কথাও তিনি জানিয়েছে। এটা মোটেই দলের নেতা, কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার জন্য নয়। সেটার সঙ্গে অবশ্যই রয়েছে পরিকল্পনা। এমনকি ভারতে বসে বেশ কেয়কটি আওয়ামী লীগের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেছেন। এমনটাও বলা হচ্ছে। ফলে এখন দেখার, মহম্মুদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রশাসন, আওয়ামী লীগকে আটকাতে পারে কিনা!












Discussion about this post