অবাক করা কান্ড বাংলাদেশে! ইউনূসের পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ জুড়ে। কারণ গত বছর সরকার পতনের পর থেকে নরমপন্থী সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, তাকে এবার চরমপন্থী হতে দেখা যাচ্ছে। তিনি আবার আওয়ামী লীগ পন্থী হিসেবেও পরিচিত। কিন্তু তিনি কি এবার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মোহাম্মদ ইউনূসের ষড়যন্ত্র গুলিকে প্রতিহত করতে সক্রিয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন? প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস তিনি এখন সেনাবাহিনীর ভিতরেও ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করতে উদ্যত। কিন্তু যে জামাতে ইসলামী মোহাম্মদ ইউনুসকে ক্ষমতায় বসাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, সেই জামাতরা এখন বিএনপির সাথে জোট বাঁধার চেষ্টা করছে।
আবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস তিনিও যে জোট বানাননি সেটা বলা সম্ভব নয়। অর্থাৎ এখন বাংলাদেশ জুড়ে মোহাম্মদের অনুচ্ছেদ জোট জামাতের জোট ও সেনাবাহিনী সব মিলিয়ে আবারো উত্তাল হবে গোটা দেশ। অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠে এবার জুলাই আন্দোলনের মতো বৃহত্তর কোন আন্দোলন নয় সশস্ত্র অভ্যুত্থান হবে বলে আশঙ্কা করছে বাংলাদেশের বিভিন্ন মহল।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস একজন অর্থনীতিবিদ। তাই স্বাভাবিকভাবেই এদেশের সকলেই প্রত্যাশা করেছিল তার শাসনকালে বাংলাদেশের অর্থনীতি নতুন মাত্রা পাবে। কিন্তু বাস্তবে হল তার উল্টো তার শাসন শুরু হতেই বাংলাদেশের অর্থনীতি একেবারে ভেঙ্গে পরল। আর অন্যদিকে বাকি রইল কূটনীতি সেই কূটনৈতিক দিক থেকেও পিছনের সারিতেই থাকতে হচ্ছে ইউনূসের বাংলাদেশকে। কারণ বর্তমানে আমেরিকাও সেই দেশকে গুরুত্ব দিচ্ছে না, আবার মহম্মদ ইউনুস এর পরম বন্ধু রাষ্ট্র পাকিস্তান তারাও ভারতের হাতে বিধ্বস্ত হয়ে বাংলাদেশকে আর বইতে পারছে না।
ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রদর্শনের ফল হাতেনাতে পেয়েছে বাংলাদেশ। কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল কান্ডারী পোশাক শিল্প সেই পোশাক শিল্পের উপরও থাবা বসিয়েছে ভারত। ভারতের স্থলবন্দর বন্ধ করায় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশের অর্থনীতি। বর্তমানে দেখা গিয়েছে একের পর এক শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে যেগুলি ছিল অর্থনীতির মূল ভিত্তি।
এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে গার্মেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুসের কাছে চিঠি চিঠি দিয়ে ভারতের কাছে আর যে জানানোর কথা উল্লেখ করেছে, জানানো হচ্ছে প্রধান উপদেষ্টা যেন অন্তত তিন মাসের জন্য ভারতের কাছে স্থলবন্দর খুলে রাখার আবেদন জানায়। এর ফলে একেবারে বিধ্বস্ত পরিস্থিতিতে তারা অন্তত নেপাল ভুটানে ব্যবসা করতে পারবে। বাংলাদেশের চারিদিকে যখন শুধু অভাব হাহাকার বিশৃঙ্খলা তখন মোহাম্মদ ইউনুসের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছে দেশের সাধারণ নাগরিক। দেশের সংস্কারের কথা তো দূরে থাক, পরিবর্তন হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল সেই একই ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধেও। এই পরিস্থিতিতে কোনভাবেই দেশের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার কথা ভাবেন নি মোহাম্মাদ ইউনুস ও তার উপদেষ্টারা। আবার দেশের মানুষ যখন বিপর্যয়ের সম্মুখীন তখন সেই সমস্ত সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা কোথায় যারা কলকাতা দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, চিকেন নেক দখলের দুসাহস দেখিয়েছিল। তারা প্রত্যেকেই এখন নিষ্ক্রিয়।
তবে ক্ষমতা লোভী ইউনুস বৃহস্পতিবার তার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছিল রাজনৈতিক মহলে। তখনই বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছিল হয়তো এই সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশ্যে আনা ইউনূসের নতুন কোন নাটক। আর সেই আশঙ্কা হয়তো কিছুটা সত্যি, কারণ, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস আপাতত পদত্যাগ করছেন না। এমনটাই জানালেন সে দেশের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। শনিবার ঢাকায় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন ইউনূস। সেই বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের ওয়াহিদউদ্দিন জানিয়েছেন, ইউনূস এবং অন্য সকল উপদেষ্টাই স্বপদে বহাল থাকছেন। কেউ পদত্যাগ করছেন না। এই বৈঠকের পর গত দুদিনের যাবতীয় জল্পনা এক লহোমায় পুড়িয়ে দিয়ে আবার কোন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে মোহাম্মদ ইউনুস সেই আশঙ্কায় বিভিন্ন মহল।












Discussion about this post