বাংলাদেশে এখন তুমুল চর্চায় রয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। তিনি এখন কি করছেন? দেশের যে পরিস্থিতি তাতে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারের ভূমিকা কি? উঠছে প্রশ্ন।
২০২৪ সালে ৫ই অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের জমানা শেষ হয়। এসেছে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সরকার আসার আগে সেনাবাহিনীর একটি ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। প্রশ্ন উঠছে, যাকে দেশের ক্ষমতা দেওয়া হল, তিনি কি দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে পারছেন? বাংলাদেশের বহু সাধারণ মানুষ বলছেন, গোটা দেশের পরিস্থিতি একেবারেই ভালো নেই। সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না এই সরকার। বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রব্যমূল্য। বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে মিছিল, প্রতিবাদে উত্তাল হচ্ছে বাংলাদেশ। এমনকি দেশের রাস্তায় প্রতিবাদ করতে দেখা যাচ্ছে, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের। ৫৪ বছরের ইতিহাসে সেনাবাহিনীকে কখনো এইভাবে রাস্তাতে দেখা যায়নি। অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নামতে দেখা যায়নি। আসলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের যতগুলি বাহিনী রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে ধ্বংস করেছে এই সরকার।
শুধু তাই নয়, দেশের অন্দরে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। আর সেই ষড়যন্ত্র তাকেই রুখে দিতে হবে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কিছুদিন আগেই শোনা গিয়েছিল, ১১ ই মে মোঃ ইউনুস চুপিসারে পৌঁছে যান রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর দরবারে। সেখানে গিয়েই মহম্মদ ইউনুস বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানকে সরিয়ে দেওয়ার একটি প্রস্তাব নিয়ে আসেন। এমনকি একটি চিঠিও দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতিকে। আর সেই চিঠি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সঙ্গে তিনি বাহিনীর প্রধান দেখা করতে যান বলে খবর। আর সেখানেই আলোচিত হয়, দেশের মানুষ এখনও সেনাবাহিনীর ওপরই আস্থা রাখছে। আর তারপরই আলোচনা করে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া যায়।
সাম্প্রতিককালে দেখা গিয়েছে, দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে, বন্দর নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে, প্রক্সি ওয়ারে জড়িয়ে পড়তে পারে দেশ, সেই নিয়েও ষড়যন্ত্র চলছে। আর সেই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে লিপ্ত হচ্ছেন দেশের বহু মানুষ, বহু ব্যক্তিত্ব।
এই পরিস্থিতি থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে দেশে দ্রুত নির্বাচন প্রয়োজন। একটি স্থায়ী সরকার আসা প্রয়োজন। স্থায়ী সরকার না এলে বাংলাদেশের তদারকি সরকার গোটা দেশটিকে বিপদে ফেলবে। কারণ মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সিংহাসনে বসে বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়ার ছক কষছেন। বাংলাদেশকে মানবিক করিডোর হিসেবে ব্যবহার করতে দিচ্ছেন। যেগুলি একটি তদারকি সরকার কখনোই করতে পারে না।
এবং এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের জেরে ভবিষ্যতে গোটা দেশ যে বিপদে পড়বে, সেটা অজানা নয় ইউনূসের। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়েই সেনাপ্রধানকে দায়িত্ব নিতে হবে। তবে প্রশ্ন উঠছে এখানেই, সেনাপ্রধান সবকিছু দেখার পরও কেন কোন রকম ব্যবস্থা করছেন না? সেনা শাসন জারি না হলেও সেনা শাসন জারি না হলেও অন্তত গণতান্ত্রিক উপায় নির্বাচনটা প্রয়োজন। তার ব্যবস্থা তো করতেই পারেন সেনাপ্রধান। এখন দেখার, শেষমেশ জেনারেল ওয়াকার উজ জামান কি একশন নেন।












Discussion about this post