ইউনুসের ‘নতুন’ বাংলাদেশে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে অর্থনীতি। ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদাণকারী সংস্থাগুলি জোর ধাক্কা খেয়েছে। ঋণখেলাপির মাত্রা অনেকটাই বেড়েছে। বিদেশি লগ্নিতে ভাটা পড়েছে। সব মিলিয়ে, আপাতদৃষ্টিতে সংস্কার ব্যর্থ। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির আশ্রয়ে থাকা শেখ হাসিনার ভোটাধিকার বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত তাঁর ‘বদলা’রই প্রতিফলন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
দুলছে শেয়ার সূচক। বছর কয়েক আগেও যে কোম্পানি শেয়ার কেনা মধ্যবিত্ত চিন্তা করতে পারছে না, সেই সব কোম্পানির শেয়ার কেনার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। ডলারের তুলনায় টাকার দাম পড়ছে। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া।
ঢাকা ট্রিবিউনের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের শুধু অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ছয় লক্ষ কোটি টাকা। এটা চলতি বছর জুন পর্যন্ত। তার কেটে গিয়েছে তিন মাস। আরও একটি মাস শেষ হওয়ার অপেক্ষায়। এই সময়ে টাকার অঙ্কটা আরও বাড়বে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় সমস্যার প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলির উপরেও। জানা গিয়েছে, এই ক্ষেত্রে সমস্যার অবস্থা ব্যাঙ্কিং-এর তুলনায় অনেকটা বেশি। ২০ টি ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থায় ঋণ খেলাপের পরিমাণ ২১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। এই টাকা মোট ঋণ দেওয়া টাকার ৮৩ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের সংস্থাগুলি প্রায় দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেনায় জর্জরিত পাঁচটি ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণ। সেই পাঁচ ব্যাঙ্ক হল ফাস্ট সিকিউরিটি, সোশ্যাল ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, ইউনিয়ন, এগজিম ব্যাংক। সংযুক্তিকরণের পর নাম হবে ইউনাইটেড ইসলামী ব্যাংক।
আমানতকারিদের টাকা ফেরাতে পারছে না বহু সংস্থা। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত, এই ২০টি সংস্থার মোট ঋণ ২৫ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা। কিন্তু এই ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা সম্পদের পরিমাণ মাত্র ছয় হাজার ৮৯৯ কোটি। এটি মোট ঋণের মাত্র ২৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের দাবি এই অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন না হলে আমানতকারীদের টাকা ফেরানো সম্ভব হবে না। এই সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক মোট নয় সংস্থকে বন্ধ করে দেওয়ার করার প্রস্তাব দিয়েছে। এই সংস্থা বন্ধ করে তাঁদের সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা ফেরানো হবে।
একই অবস্থা ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলির। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় সমস্যার প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলির উপরেও। জানা গিয়েছে, এই ক্ষেত্রে সমস্যার অবস্থা ব্যাঙ্কিং-এর তুলনায় অনেকটা বেশি। ২০ টি ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থায় ঋণ খেলাপের পরিমাণ ২১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। এই টাকা মোট ঋণ দেওয়া টাকার ৮৩ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের সংস্থাগুলি প্রায় দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। আমানতকারিদের টাকা ফেরাতে পারছে না বহু সংস্থা। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত, এই ২০টি সংস্থার মোট ঋণ ২৫ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা। কিন্তু এই ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা সম্পদের পরিমাণ মাত্র ছয় হাজার ৮৯৯ কোটি। এটি মোট ঋণের মাত্র ২৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের দাবি এই অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন না হলে আমানতকারীদের টাকা ফেরানো সম্ভব হবে না। এই সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক মোট নয় সংস্থকে বন্ধ করে দেওয়ার করার প্রস্তাব দিয়েছে। এই সংস্থা বন্ধ করে তাঁদের সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা ফেরানো হবে আমানতকারীদের। আহসান মনসুর জানিয়েছেন, ‘চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। সরকার সব দায়িত্ব নেবে।












Discussion about this post