মহম্মদ ইউনূস যখন তার সঙ্গে অপ্রয়োজনে বিএনপি জামাত এবং এনসিপির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে গেলেন তখন অনেকেই মনে করেছিলেন তিনি নিজে ডিম খাওয়া থেকে বাঁচতে, অন্য দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়েছেন। অবার কারো কারো অভিমত, এই তিন দলের মধ্যে যে বিভেদ রয়েছে তা মেটানোর জন্যই তাদের সঙ্গে নিয়েছেন। তিনি যদি তার বাস ভবনে এই তিন দলের নেতাদের ডেকে, তাদের মধ্যে যে বিভেদ,সেটি মেটানোর চেষ্টা করেন, তবে তাই নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠবে। তাই তিনি কৌশলে এই তিন দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে গেছেন, তাদের এটা বোঝাতে, যে এই তিন দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলে, জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের মাধ্যমে আবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় চলে আসবে, আর তখন সংবিধান লঙ্ঘন করার দায়ে জুলাই যোদ্ধাদের সবাইকেই জেল খাটতে হবে অথবা ফাঁসিতে চড়তে হবে। কিন্তু যারা এটি ধারণা করেনিয়েছেন, তাদের ধারণা সঠিক নয়। আসলে মহম্মদ ইউনূস মির্জা ফকরুল ইসলামের মত বিএনপির মহাসচিবকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে, আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে একটি বিরাট বড় রাজনৈতিক চাল চেলেছিলেন। কিন্তু আওয়ামীলীগ ইউনূসের সেই পাতা ফাঁদে পা না দিয়ে, এটা প্রমান করে দিয়েছে যে তারা ইউনূসের মত খেলোয়াডে়র থেকে অনেক এগিয়ে আছে। ইউনূস চেয়েছিলেন যে আওয়ামীলীগের কর্মিরা মির্জা ফকরুল ইসলামকে অপমান করুক এবং পারলে ডিম ছুড়ে আঘাতও করুক, তাহলে বিএনপির যে আওয়ামীলীগের প্রতি বিন্দুমাত্র সহানুভুতি আছে সেটি আন্দোলোন এবং বিদ্বেষে পরিনত হোক।কারণ বিএনপি এখনও চায় আওয়ামীলীগ ভোটে অংশ গ্রহণ করুর।তাই ইউনূস চাইছিলেন মির্জা ফকরুলের মত বড় মাপের নেতাকে অপমান করুক আওয়ামীলীগ, তাহলে নিউইয়র্ক থেকেই বিএনপি আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে আন্দোলোন শুরু করে দেবে। আর সেই কারণেই মহম্মদ ইউনূস নিজে পিছনের গেট দিয়ে বেরিয়ে গিয়ে, একজন বৃদ্ধ এবং বড় মাপের নেতাকে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন চালাকি করে।কিন্তু আওয়ামীলীগের কর্মিরা সেই ফাঁদে পা দিয়ে মির্জা ফকরুল ইসলামের থেকে দূরত্ব বোজার রেখে চলেছেন, সেলফি তুলেছেন এবং কটু কথা না বলে সম্মান দেখিয়েছেন। শুধু মির্জা ফকরুল কেই নয়, আওয়ামী কর্মিরা দেশের মানুষের মন জিতে নিয়েছেন তাসনিম জারাকে আপা বলে সম্বোধন করে এবং সম্মান দেখিয়ে, যদি কেউ ভুল করে কোন খারাপ কথা বলে ফেলে তাই অন্য কর্মীরা সাবধান করে দিয়েছেন, আপুকে ছাড় কেউ বলছে জারাকে ছাড়।তাই আপা মানে তাসনিম জারা কোন ডিম না খেয়েই নিরাপদে বেরিয়ে যেতে পেরেছেন। যদিও এনসিপির প্রধান ব্যক্তিদের একজন হওয়ায় তাকেও কিছু কটু কথা শুনতে হয়েছে।যা স্বাভাবিক, কারণ এই এনসিপির কারণেই দেশের পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। তবে আক্রমনের মূল লক্ষ্য ছিল আখতার তা যেমন বোঝা গিয়েছে তার প্রতি বাংলাদেশী জনগনের খাতির দেখে, তেমনই তাসনিম জারার পোস্ট থেকেও, যেখানে তাসনিম জারা আখতারের উপর আক্রমনের প্রতিবাদ আর শান্তনা আছে, কিন্তু তার উপর আক্রমন যে হয়নি তা যেমন দেখা গেছে তেমন তার পোস্ট থেকেও বোঝা গেছে।কারণ তার পোস্টে তার উপর আক্রমনের কোন কথা উল্লেখ করা হয়নি। যে দেশে এক বৃদ্ধা প্রধান মন্ত্রীর অন্তর্বাস নিয়ে লোকে নাচানাচি করে সেখানে হাতের কাছে পেয়েও তাসনিম জারার উপর কোন আক্রমন হয়নি। এটি আওয়ালীগের নারীদের প্রতি সম্মানকেই প্রদর্শিত করে। কিন্তু এই ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে কেন বিক্ষোভ, কারণ এই সরকার এবং এই সরকারের নিয়োগ দাতারা যে কোটি কোটি টাকা ঘুষ খায় তার উল্লেখ করেছে ইলিয়াস এবং পিনাকী বাবুদের মত জুলাই আন্দোলোনের পৃষ্ঠপোষকরাই। এই সারজিস এবং হাসনাতরা তাদের পোষ্টে তেমন বিরাট কিছু বলেত পারেন নি কারণ তাদের সঙ্গে আর কেউ নেই। তবে নিউইর্যকে ফরেন সার্ভিসের সকল ব্যক্তিকে চাকরি চ্যুত করার দাবী করা হয়েছে। এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি আলাপ করতে হবে। অন্য দিকে প্রশ্ন হল ভারতের হাতে পায়ে ধরে মোদিজীর সঙ্গে বৈঠক করতে পারলেও, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করার সুযোগ পাবেন কি ইউনূস সাহেব, যে কারণে পাঁচ সাত শো কোটি টাকা খরচ করে সেখানে গিয়েছেন।












Discussion about this post