আপনাদের মনে আছে বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের কথা। যে মানুষটি নিজের জীবন দিয়ে ১৯৭১ এর পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের জন্ম দেয় এমনকি এর জন্য প্রাণ বিসর্জন দিতেও পিছপা হয়নি। তাই বাংলাদেশের জাতির জনক এবং বঙ্গবন্ধুর আখ্যয় পুজিত হন মুজিবুর রহমান। পরে পদ্মা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গেছে বর্তমানে বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছেন ইউনূস, অবশ্য দেশের অভ্যন্তরেই অনেকেই যাকে সুদখোর ইউনূস নামে আখ্যা দিয়েছেন,আজ তিনি নিজেদের পূর্বপুরুষদের প্রতি কোনো সম্মান দেখালো না। এবং ভুলে যেতে বসেছে দেশের ইতিহাস।শেখ হাসিনা যা পেরেছে, তা পারলো না ইউনূস। কারণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন মুহাম্মদ ইউনূস অনেকটাই পাকিস্তানের হাতের পুতুল হয়ে গেছে। পাকিস্তানের সেনাকর্তা জেনারেল শাহিদ শামশদ মির্জা ঢাকা সফরে গিয়েছেন। এবং তিনি সরাসরি যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সাথে গোপন বৈঠক করেছেন। এছাড়াও বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।এই বৈঠকে প্রতিরক্ষায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও কীভাবে নিবিড় শক্তপোক্ত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। কারণ এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভারত বাংলাদেশ কে একে অপরের শত্রু তা পাকিস্তান হাই-কমান্ড ভালোভাবেই জানতেন তাই সুযোগ বুঝে কোপ মেরেছে পাকিস্তান। এক বিবৃতিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর ইতিবাচক দিক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে সামরিক নেতৃত্বের বিভিন্ন স্তরে নিয়মিত প্রতিনিধি বিনিময়ের বিষয়েও একমত হয়েছে ইউনূস বাহিনী। স্বাভাবিকভাবে এই বৈঠক চেয়ে সরকারি স্বীকৃতি পায় তা বলাই যায়। এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন মনের মধ্যে জাগছে কি আলোচনা হয়েছে ইউনুসের সাথে যমুনায় গোপন বৈঠকে পাকিস্তানে জেনারেলের। যার উত্তর সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে- বদলে যাওয়া আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের। পাশাপাশি দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও মজবুত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এইখানেই এক বিরাট প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে, যেখানে শেখ হাসিনা পাকিস্তানকে দূরে রেখেই দেশ চালিয়েছে। এবং বলা ভালো ভারতের সাথে সুসম্পর্ক রেখে এসেছেন তাহলে আজ তা বজায় রাখতে কিসের এত এলার্জি মোঃ ইউনূসের? হাসিনার রাজত্বে যেভাবে তিনি বাংলাদেশ পরিচালনা করেছেন তাতে বলা যায় হাসিনা অনেকটাই ভারত পন্থী ছিলেন।বস্তুত, শেখ হাসিনা ও তাঁর দল আওয়ামী লিগ ভারতের বন্ধু। হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলাদেশে কট্টরপন্থীদের বাড়বাড়ন্ত ছিল না। সেই সময় দেশের মানুষ প্রতি আনন্দের সাথে বলতে পারত- ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’দেশের মধ্যে কোন সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ না রেখেই খুব সহজ-সরল জীবন যাপন করতো সে দেশের জনগণ।কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস যখন থেকে দায়িত্ব নিয়েছে, জামাত ই ইসলামির মতো কট্টরপন্থিদের স্বর্গরাজ্য হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। খুন ধর্ষণ রাহাজানি আজ বাংলাদেশের জলভাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ আর নজরুলের লেখা গান বাংলাদেশের জনগণ মুখে আনতে ভয় পায়-‘মোরা একই বৃন্তে দুইটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান’কারণ রক্তচক্ষু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন জাতি ভেদাভেদকারী ইউনূস,স্বাভাবিক ভাবেই পাকিস্তানও কাছে এসেছে ইউনূসের।পাকিস্তান মানেই জঙ্গিদের ঘাঁটি। যার ফল, পাকিস্তান এখন অবাধে বাংলাদেশে জঙ্গিনেতাদের পাঠাচ্ছে, এবং ভারত বিরোধী উস্কানিও দিচ্ছে। যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ হল, পাকিস্তানের কুখ্যাত জঙ্গি ইবতিসম ইলাহি জাহির এখন বাংলাদেশ সফরে রয়েছে। শুধু যে রয়েছেন তা নয় স্বমহিমায় বাংলাদেশের অবাধ বিচলনা করছেন। যার নাম রাষ্ট্রসঙ্ঘের জঙ্গি তালিকায় জ্বলজ্বল করছে। পাক জঙ্গি সংগঠন মারকাজি জমিয়ত আহল ই হাদিতের জেনারেল সেক্রেটারি। গত ২৫ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছেছে। ইউনূসের আমলে বাংলাদেশ পাকিস্তান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে এবার যৌথ গোয়েন্দা ব্যবস্থার ঘোষণা করল দুই দেশের সেনা গোয়েন্দা সংস্থা- পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ইসলামাবাদে একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে এই যৌথ কাঠামো গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই ‘যৌথ গোয়েন্দা ব্যবস্থা’র মূল উদ্দেশ্য হল সন্ত্রাসবিরোধী তথ্য বিনিময়, সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। তবে কি সত্যি ইউনূস বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাস জানেনা? এমনটাই প্রশ্ন উঠছে দেশের অভ্যন্তরে।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের খবর, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইসলামাবাদের সঙ্গে যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। অনেক রাজনৈতিক মহলেই মনে করছেন-দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক গোয়েন্দা কাঠামো ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ ক্রমশ ঘনিষ্ঠ হয়েছে। বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি এবার গোয়েন্দা ক্ষেত্রেও একে অপরের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখাচ্ছে দুই দেশ। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের এক কর্তা জানিয়েছেন, ‘এই ব্যবস্থার মাধ্যমে উভয় দেশ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে।’
তবে বাংলাদেশের অনেক নেতাই ইউনূসের এই সিদ্ধান্ত একেবারেই মন থেকে মেনে নিতে পারছে না। তাদের মতে
পাকিস্তানের পাতা ফাঁদে নিজেই না জড়িয়ে পড়ে মুহাম্মদ ইউনূস সাথে বাংলাদেশকে নিয়ে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post