বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কি দেশে ফিরছেন? সরকারিভাবে এই নিয়ে এখনও কোনও তরফেই বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সাউথব্লক সূত্রে পাওয়া একটি খবরে জানা গিয়েছে, হাসিনাকে ফেরাতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চেষ্টা করছে যাতে হাসিনা সে দেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। সম্প্রতি জয় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দেন। তার মধ্যে একটি হল আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। তবে জয় এও বলেন, নির্বাচনী খসড়া প্রকাশের মাথায় মাথায় যদিও দলের ওপর থেকে নিষেধা়জ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, তাহলে সেটা অর্থহীন হয়ে যাবে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য কোনও প্রস্তুতি নিতে পারবে না। আন্তর্জাতিক মহল থেকেও এই ব্যাপারে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এদিনের একটি খবরে জানা গিয়েছে, ইউনূস যাতে পুনরায় ক্ষমতা দখল করতে পারেন, তার জন্য অন্য ছক কষছেন। সেটা হল নির্বাচনে কারচুপি করা। জয়ের দাবি, এই কারচুপিতে সামিল হয়েছে ইসলামপন্থীরা। হাসিনাপুত্র বলেন, বাংলাদেশে অস্থির পরিবেশ জিইয়ে রাখা হলে, ইসলামপন্থীরাই লাভবান হবে। যদিও জয়ের এই দাবির প্রেক্ষিতে তদারকি সরকারের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পাশাপাশ জয় এটাও জানিয়েছেন, হাসিনা আমলে কিছু ভুল ত্রুটি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে জাতিসঙ্ঘের একটি রিপোর্টের উল্লেখ করা যেতে পারে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, হাসিনা সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছিল দমন-পীড়ন নীতি। সেই নীতির বলি হয়েছেন অনেকে। জাতিসঙ্ঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই দমন-পীড়ন নীতির বলি হয়েছেন ১৪ শো মানুষ। জয় এই অভিযোগ মানতে অস্বীকার করেন। তবে এও বলেন প্রত্যেক মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক।
এদিকে, হাসিনা একটা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, তার দলকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশে ভোট হলে তিনি কোনও অবস্থাতেই দেশে ফিরবেন না। সে ক্ষেত্রে তিনি ভারতেই থেকে যাবেন। ওই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে হাসিনা একটি ই-মেল করেছেন। সেখানে তিনি সুপষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র অযৌক্তিক নয়। এই নিষেধাজ্ঞা আসলে স্বপরাজয়। এই পরাজয় কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না। বাংলাদেশে পরবর্তী সরকারের অবশ্যই সাংবিধানিক বৈধতা থাকতে হবে। আওয়ামী লীগের পিছনে লাখো মানুষের সমর্থন রয়েছে। তদারকি সরকারের তরফ থেকে আমাদের দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার অর্থ আমার দলের কর্মী-সমর্থক তাদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে না। একটি সরকার কোনওভাবেই সুনির্দিষ্ট একটি দলের নেতা-কর্মীদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারে না। ’ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জেলে। তাদের কারও বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কারও বিরুদ্ধে কোনও মামলাই দায়ের করা হয়নি। অথচ তাদের জেলে রাখা হয়েছে। জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার কমিশনের তরফ থেকে যে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, সেই রিপোর্টে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এদের অবিলম্বে জেল থেকে মুক্ত করে দিতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মিথ্যে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিতে হবে। আমেরিকা থেকেও তদারকি সরকারের ওপর থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। ইউনূসও জানেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনের ফলাফল পাবে না স্বীকৃতি। তদারকি সরকার যে রীতিমতো চাপে রয়েছেন। তা বলাই বাহুল্য।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post