দিল্লীর লাল কেল্লার কাছে গাড়ী বিস্ফোরণে ক্ষোভে ফুসছে গোটা দেশ। দেশবাসী চাইছে সন্ত্রাসের কড়া জবাব।এবং ঘটনায় মৃত দেশবাসীর জন্য সঠিক বিচার। আর সন্ত্রাসের সমূলে নিপাত। ঘটনায় ব্যথিত প্রধানমন্ত্রী ভুটান থেকে দিয়েছেন কড়া বার্তা। ঘটনার তদন্ত চলছে, যারা দোষী হবে, তাদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর উল্লেখ যোগ্য বিষয় হল এই ঘটনা নিয়ে কঠোর শাস্তির কথা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও।
বিভিন্ন সুত্র বলছে বাংলাদেশ, দিল্লী বিস্ফোরণে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও, আগের কিছু ঘটনা, এবং হাফিজ সইদের সহযোগী বাংলাদেশকে পূর্বপাকিস্তান বলে সম্বোধন করা এবং সেই পূর্বপাকিস্তান থেকে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানোর যে হুঙ্কার, সবই সন্দেহের তালিকায়, এবং বাংলাদেশের তদারকী সরকারেরএই জঙ্গীদের পচ্ছন্ন মদত। সব মিলিয়ে সন্দেহের বাইরে নেইএই প্রতিবেশী দেশটিও।তবে ভারতের লক্ষ্য লক্ষ্য বাঙালী চাইছে এই ঘটনার সঙ্গে কোন ভাবে যেন, বাংলাদেশের যোগ না থাকে। কারণ যে দেশটিকে আমরা বাংলাদেশ বলছি,এই বাংলাদেশ এখন একটি দখলদার সরকারের অধীনে হলেও, যারা বাংলাদেশে বসবাস করে, তাদের অধিকাংশই ভারত প্রেমী। তারা তাদের স্বাধীনতায় ভারতের যোগদানকে সম্মানের সঙ্গে স্বীকার করে। আর আমরাও বাংলাদেশের সেই সব মানুষদের সম্মান করি। এছাড়া বাংলাদেশ সেনার মধ্যে অনেক সৈনিক আছে, যারা এই তদারকী সরকারকে পছন্দ করে না। কিন্তু যদি কোন কারণে যুদ্ধ হয়, তবে তাদেরও তো ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেই হবে। যেটি দুই দেশের সেনার জন্য অস্বস্তিকর হবেই। তাই আমরা যারা সাধারণ মানুষ তারা মনে প্রাণে চাইছি যে,এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি যেন না হয়। তবে দেশের সুরক্ষার স্বার্থে কাউকেই ছাড় দেবে না এই নতুন ভারত। বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকাগুলিতে জারি রয়েছে রেড এর্লাট। ঘটনার সংযোগ পুলবাওমা থেকে ফরিদাবাদ পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে গোয়েন্দারা। এবং তিন থেকে চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওায়ার কাজ চলছে। দেশের সব গূরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলি একযোগে তদন্ত শুরু করেছে। ফরিদাবাদে চলছে সার্চ অপারেশন। এই ফরিদাবাদ থেকেই বিস্ফোরণের কয়েক ঘন্টা আগে এক ডাক্তারের বাড়ী থেকে ২৫শো কেজির বেশী বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছিল। এই হামলার পর প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাইলেবেল মিটিং করেছেন। এবং সেই মিটিংএ সেনাকর্তারাও হাজির ছিলেন। ফলে বোঝাই যাচ্ছে ঘটনার তার কোথায় জুড়া আছে, তা মোটামুটি জেনে গেছে গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র দফতর । ফলে বিচার যে পুলিশি অভিযানে হবে না। লাগবে সেনা অভিযান সেটিও স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যেভাবে ঘটনার তার জুড়ছে তাতে যে কোন সময় অপারেশন সিন্দুরের মত, আবার একটি আপারেশন শুরু করতে হতে পারে। কারণ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে কেউ এই হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাকে কঠোর ভাবে দমন করা হবে। আর ভারতের এই ঘোষনার সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানে ভয়ের মহল তৈরী হয়েছে। পাকিস্তানের ভয় হল ভারত অপারেশন সিন্দুরের মত কোন অপারেশন শুরু করে, পাকিস্তানে আবার আক্রমন না চালিয়ে দেয়। এই ভয়ে বিস্ফোরনের কিছু পরেই পাকিস্তানে সারা রাত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। শুধু তাই নয় পাকিস্তান রাজস্থানের সীমা সংলগ্ন এলাকাতে বায়ুসেনার প্রেট্রোলিং শুরু করে দেয়। এবং তিন সেনার প্রধান বৈঠক করে, ঘটনার গভীরতা অনুধাবন করে আমেরিকা ফ্রান্স ব্রিটেনের মত দেশগুলি তাদের দূতাবাসের মাধ্যমে দেশবাসীকে সতর্ক করে দেয়।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post