বাংলাদেশের নানান প্রান্তে বর্তমানে ৪০০০ পাকিস্তানী সৈনিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই ৪০০০ সৈনিক বাংলাদেশে আসলো কি করে ? যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসে তখন পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আসতে হলে পাকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে ভিসা আবেদন করলে সেই ভিসা পাওয়ার পর বাংলাদেশে আসতে হতো। কিন্তু ডক্টর ইউনুস আসার পর বাংলাদেশে থাকা পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতদের মনোনীত মানুষদের বাংলাদেশে আসতে কোনও ভিসার প্রয়োজন নেই। এই ৪০০০ পাকিস্তানী বাংলাদেশের ঢাকা, চিটাগাং ও সিলেট বিমানবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের অন্দরে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশে তারা আসার পর এয়ারপোর্ট অথরিটিকে আগেই তাদের ভিসা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, এদের কাজ কি ? এদের কাজ মূলত ২ টো। প্রথমত, ইউনুসের নেতৃত্বে যে বাহিনীটি ক্ষমতায় আছে তারা চাইছে বাংলাদেশের বিদ্যমান কাঠামো ভেঙে ফেলে বাংলাদেশ আর্মিটিকে আর রাখা হবেনা। অর্থাৎ, বাংলাদেশে আর্মি বলে আর কিছু থাকবে না। বাংলাদেশে আর্মিতে যারা থাকবে তারা মূলত কাজ করবে পাকিস্তানী আর্মির নির্দেশে। বর্তমানে বাংলাদেশে আর্মিতে যারা আছে তারা এই কথার সাথে সহমত নয়।
বাংলাদেশে যাই হচ্ছে তাতেই মানবতাবিরোধী অপরাধ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জে একজন প্রেগনেন্ট মহিলা পুলিশ সহ ১২ জন পুলিশকে জবাই করে গায়ে আগুন ঢেলে হত্যা করা হয়েছিল তার নেতৃত্ব দিয়েছিলো অ্যাডভোকেট তাইজুল। যুদ্ধপরাধীদের ডিপেন করেছিল এই তাইজুল। এই তাইজুল এখন ইউনুস পুতুল সরকারকে ব্যবহার করে পাকিস্তানী আইএস বাহিনী দিয়ে বাংলাদেশে একটি যুদ্ধোপরাধীর বিচার করছে। যুদ্ধটি হয়েছিল একাত্ত্বর সালে এখন বিচার হচ্ছে যারা এই যুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করেছে তাদের ও তাদের সাপোর্টারদের। পাকিস্তান বাহিনী দেখলো বাংলাদেশ বাহিনী যদি রিভল্ড করে তাহলে এই বিচারটা করা সম্ভব নয়। তাই পাকিস্তান সরকারের সাথে ডক্টর ইউনুস গং ও জামাতে ইসলামী গং আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ৪০০০ পাকিস্তানী সৈনিককে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের এই ৪০০০ সৈনিক এখন বাংলাদেশের আনাচে – কানাচে নানান ছদ্দবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভারত – বাংলাদেশের বর্ডারেও এই পাকিস্তানী সৈনিকদের ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে।
এ থেকে ধরেই নেওয়া যায় যে ভারত বাংলাদেশ দুটি মিত্র দেশ হওয়ার পরেও তাদের মধ্যে শত্রুতা ও অবিশ্বাস তৈরী হচ্ছে। ফলে এই দুটি রাষ্ট্র আর কোনোভাবেই শান্তিপূর্ণ সহবস্থান করতে পারবে না। বাংলাদেশের যে সেনা বাহিনীদের ওপর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এই পরোয়ানার ফলে বাংলাদেশ বাহিনী কিন্তু তার সেনাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়নি। বিষয়টি হ্যাঙ্গিং অবস্থায় থাকলেও তারা পুলিশের হাতে তুলে দেবেনা। এর ফলে ডক্টর ইউনুস গং ও তাইজুল গং বুঝতে পেরেছে মানুষকে আমরা যে যুদ্ধপরাধের বিচার করছি তাতে রিভল্ড হতে পারে। তাই পাকিস্তানী এই আর্মি বাহিনীর আগমন।












Discussion about this post