১৯৭১ এর খাতায় কলমে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও আজও কি নিজ দেশেই পরাধীন বাংলাদেশী মা বোনেরা? পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশের জন্ম হলেও সেখান থেকে বর্তমান সময় দাঁড়িয়েও জামায়াত শিবির বরাবর পাকিস্তানি হয়ে থাকতেই পছন্দ করে এসেছে।আজ বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের মা-বোনেরাই আজ মৌলবাদী জামায়াত নেতাদের ভোগের পাত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সময়ে এমনইএক দৃষ্টান্তমূলক ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল বাংলাদেশ। বর্তমান বাংলাদেশের এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজ ছাত্রের মাকে ফোন করে যৌন সঙ্গমের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত ইসলামের সভাপতি নুরুল্লাহর বিরুদ্ধে। এমনকি সুত্র মারফত জানা যায় তিনি ফোনে অশ্লীল ভাষা মহিলাকে যৌনতৃপ্তি মেটানোর দাবি জানিয়েছেন। অবশ্য অভিযোগ পাওয়ায় পরেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে জামায়াত শিবির। ঘটনাটি ঝালকাঠির নলছিটি জেলার রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামের সভাপতি নুরুল্লাহ ঘটিয়েছে বলে খবর। অভিযোগ উঠেছে তিনি নিজ পরিচয় গোপন রেখে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে কুপ্রস্তাব দিয়েছেন এক ছাত্রের মাকে। যা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা সৃষ্টি হয় সেই এলাকায়। এবং ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যাওয়ার পরেই চরম বিশৃংখল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ঘটনা বেগতিক দেখে সঙ্গে সঙ্গে এই ধরনের কাজ করেছেন জানতে পেরে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে জামায়াত শিবির। তাঁকে শিবির থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে খবর।সূত্র মারফত জানা যায় অপরাধকারী নুরুল্লাহ তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মৌলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি বাংলাদেশের ঝালকাঠি সদর জেলার কৃষ্ণকাঠি এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষকও বটে। জামায়াত এই নেতার এটাই প্রথম ঘটনা নয় এর আগেও তিনি বারংবার মহিলা জনিত ঘটনা জড়িত ছিলেন বলে খবর। জানা যাচ্ছে কয়েকদিন আগেও এক অপরিচিত মহিলার সঙ্গে তার আপত্তিকর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। জানিয়ে জামায়াত শিবিরের প্রতি সরাসরি আঙুল উঠে যায় যদিও সেবারেও কোনরকম কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি বাংলাদেশের ইউনূস প্রশাসনকে। সেই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয় বাংলাদেশে।যদিও এই ধরনের ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি নিউজ বর্তমান। তারপরে আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এখানেও সেই নারী কেলেঙ্কারি জড়িত ঘটনা। অভিযুক্ত শিক্ষক যেই মাদ্রাসায় পড়ান সেই মাদ্রাসার এক ছাত্রের মাকে ফোনে কুপ্রস্তাব দেওয়ার সরাসরি অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ছাত্রের পরিবার নুরুল্লাহের ওপরে চড়াও হয়। এবং এই ঘটনাতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ করেনি ছাত্রের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে জামায়াত। সেখানে মহিলাকে কুপ্রস্তাব, নৈতিক অসঙ্গতি এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়টি সরাসরি প্রমাণ হয়ে যায়। এরপরেই এক প্রকার ভোটের আগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা থেকে জামায়াত শিবির নিজেদের মুখ রক্ষা করতে রানাপাশা ইউনিয়নের জামায়াত সভাপতির পদ থেকে সরায় অভিযুক্ত জামায়াত শিক্ষকটিকে। ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জানিয়েছেন, জামায়াত ইসলামি কোন প্রকার অনৈতিক কাজ ও বিশৃঙ্খলতা বরদাস্ত করবে না। শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে লুরুল্লাহকে বরাখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনা থেকে জামায়াত স্পষ্ট জানাতে চাইছে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা মেনে নেওয়া হবে না। তবে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের মতে যতই জামায়াত শিবির নিজেদের মুখ রক্ষা করতে আমি চাই বলুক না কেন আসলে এটাই জামায়াত শিবিরের পরিচয় বলে খোঁচা দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এখন সরাসরি প্রধান উপদেষ্টা অর্থাৎ বাংলাদেশের রক্ষক ইউনূস মিয়ার দিকেই আঙুল উঠে যাচ্ছে তবে কি বাংলাদেশের মা-বোনেদের ইজ্জত লুট করছে নিজ দেশের ক্ষমতাশালী নেতৃত্ব। এখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে তবে কোথায় রয়েছে বাংলাদেশের মা-বোনেদের স্বাধীনতা?












Discussion about this post