পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট চরমে। কার্যত ভিখারির দশা শাহবাজ শরীফের দেশ। সম্প্রতিককালে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সমীক্ষার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। আর সেই রিপোর্টে ছত্রে ছত্রে উল্লেখ রয়েছে, পাকিস্তানের ঋণের একাধিক তথ্য। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের ঋণের পরিমাণ ৭৬ ট্রিলিয়ন। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৩ লক্ষ কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর আগে পাকিস্তান নানাভাবে আর্থিকভাবে সংকটে পড়েছিল। কিন্তু এবার অর্থনৈতিকভাবে ঋণের পরিমাণ রেকর্ড করল শাহবাজ শরীফের জমানা। এই এই রিপোর্ট সামনে আসতেই হইচই শুরু হয়ে যায়। তথ্য বলছে, পাকিস্তানের সরকারি ঋণ সম্প্রতি ৭৬ লক্ষ কোটি পাকিস্তানি টাকায় পৌঁছেছে, যার মধ্যে স্থানীয় ব্যাংক থেকে ৫১,৫০০ বিলিয়ন এবং বহিরাগত উৎস থেকে ২৪,৫০০ বিলিয়ন টাকা। এমনকি তারা আন্তর্জাতিক সাহায্য গ্রহণ করছে। যেমন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং চীন থেকে। তবে কি কারণে পাকিস্তানের দেউলিয়া অবস্থা? আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সে দেশে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই কারণেই পণ্যের দাম বেড়েছে। শুধু তাই নয়, জ্বালানির দামও বেড়েছে। এছাড়াও রাজনৈতিক পরিস্থিতির অস্থিরতা এবং পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নতিতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।
সম্প্রতি অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে ভারত পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি ঘাটি ধ্বংস করে দিয়েছে। আর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। কিন্তু ভারত তার যোগ্য জবাব দেয়। ভারতের হামলার জেরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে পাকিস্তান।এমনকি পাকিস্তানের একের পর এক ড্রোন ভেঙে গুড়িয়ে দেয় ভারত। অর্থাৎ ভারতীয় তিন বাহিনীর কাছে পর্যুদস্ত হয় শাহবাজ শরীফের দেশ। এখন তাদের পরিস্থিতি, দেওলিয়া। ঋণের দায়ে জড়িয়েছে পাকিস্তান। গোপন সূত্রে খবর, এই তথ্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক অন্দরে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে দেশের সরকারের উপর। এখন কি করবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী? এই প্রশ্নটা উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতের অপারেশন সিঁদুর নিয়ে একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী জয় শঙ্কর। সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিতেই অপারেশন সিঁদুর চালিয়েছে ভারত। বেছে বেছে জঙ্গি ঘাটিগুলিতেই আক্রমণ করেছে ভারতের তিন বাহিনী। এমনকি সেই অপারেশন শুরু হওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যেই ইসলামাবাদকে জানানো হয়েছিল। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের অনুরোধে ভারত পাকিস্তান সংঘর্ষ বিরতি করা হয়। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, ভারতীয় তিন বাহিনীর সঙ্গে পেরে না উঠে, এবার সংঘর্ষ থেকে পিছিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। অথচ অপারেশন সিঁদুরের পর একাধিক ভুয়া ভিডিও এবং ভুল তথ্য ছড়াচ্ছিল পাকিস্তানের বিভিন্ন মাধ্যম। এমনকি ভারতকে বিশ্ব দরবারে ছোট করতে তারা উঠে পড়ে লেগেছিল। কিন্তু বাস্তবিকভাবে দেখা যাচ্ছে, ভারতের কাছে হেরেছে পাকিস্তান। শুধু তাই নয়, মাত্র কটা দিনের সংঘর্ষে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে শাহবাজ শরীফের দেশের। তাদের একাধিক যুদ্ধ বিমান, ড্রোন ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে ভারত। এবার অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে পাকিস্তান। এবার যে তথ্য বার রিপোর্ট সামনে এল, তাতে আরও বেশি পরিষ্কার হয়ে গেল।












Discussion about this post