বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই যুদ্ধের করাল গ্রাসে আক্রান্ত। যখন অস্থির ইউরোপ, যুদ্ধবাজ আমেরিকা দেশে দেশে ছড়িয়ে দিতে চাইছে তাদের সমর সজ্জা, সারা পৃথিবী জুড়ে তারা জোর করে চালিয়ে যেতে চাইছে যুদ্ধ বানিজ্য। আর যারাই তাদের কৌশল ধরে ফেলছে, তাদের দেশেই শুরু হচ্ছে ডিপস্ট্রেটের খেলা। পতন হচ্ছে নির্বাচিত সরকারের। আর এই খেলার বাইরে নয় ভারতও। ভারত শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ বা নেপালের মত কোন ছোট দেশ নয়, তাই ভারতের ভিতরে ক্রমাগত অস্থিরতা সৃষ্টি করা সম্ভব হলেও, সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই ডিপস্ট্রেট প্রাথমিকভাবে যাদের টার্গেট করে তার বাইরে গিয়ে সরকারের ভিতরের লোক এবং বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করে দিয়েছে। আর এটি কোন বানানো গল্প নয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রির মুখ থেকেই শুনুন সেই ঘটনাটি আসলে কি। ভারতের চারপাশে যে সমস্ত নির্বাচিত সরকারগুলি ছিল তাদের প্রত্যেককে সরিয়ে ডিপস্ট্রেটের পাপেটদের বসানো হয়েছে। যারা ভারতের ঘোর বিরোধী এবং সীমান্ত সন্ত্রাসে আগ্রহী। ফলে ভারতকে কড়া নজরদারী রাখতে হচ্ছে সীমান্ত এলাকায়। আর এই বিষয়ে ভারতের অবস্থান ঠিক কি হবে তা নির্ধারণ করছে ভারতের এনএসএ অজিত ডোভাল। তিনি একদিকে যেমন বাংলাদেশীদের ধরে ধরে তাদের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে, তেমন আবার আমেরিকা যখন বাংলাদেশে যৌথ মহড়ার নামে সেনা পাঠিয়েছে, ফলে গত কয়েক দিন ধরে উতপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিন এশিয়ার স্পর্শকাতর এলাকাগুলি। তখন তাদের কাউন্টার করার জন্য ভারতও তিন বাহীনীর ১২০ জন সেনাকে মায়নমারে পাঠিয়েছে। আর্থাৎ ভারতের স্পষ্ট বার্তা তারা মায়ানমার সরকারের সঙ্গে আছে। ভারত এবং মায়ানমারের সেনাবাহীনি বাংলাদেশের খুব কাছে এক সঙ্গে সৈন্য অভ্যাস করবে।অর্থাৎ বাংলাদেশকে সামনে রেখে আমেরিকা পিছন থেকে মায়ানমারের সঙ্গে যু্দ্ধ করতে চাইলে, ভারতও মায়ানমারকে সমর্থন করবে। আর এসবের মধ্য সবথেকে চাঞ্চল্যকর খবরটি হল, এই সময় চীনা গবেষনা জাহাজ একবারে ভারত মহাসাগরের কাছে অবস্থান করছে। যে গবেষনা জাহাজ থেকে যুদ্ধের পূর্ববর্তী অবস্থার অনুধাবন করা হয়। অর্থাৎ আমেরিকা বাংলাদেশে কি করতে চাইছে তা বোঝার জন্য চীনের রণতরীও বঙ্গপোসাগরে অবস্থান নিয়েছে। তারা বুঝতে চাইছে আমেরিকান সৈন্য এবং বাংলাদেশের সৈন্য মায়ানমারে ঠিক কি কি করতে চলেছে। এই গবেষনা মূলক জাহাজ ভূ-উপগ্রহকেন্দ্রকে ব্যবহার করে বিভিন্ন তথ্যের বিশ্লেষন করে, এবং গ্রাউন্ড লেবেলের খবর সংগ্রহ করে ব্যবস্থা নেয়, বাংলাদেশে এখন এতটাই আমেরিকার প্রভাব যে চীন আর তাদের বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করছে না। এর মাঝেই আবার বাংলাদেশে নেমেছে মিশরীয় যুদ্ধ জাহাজ। সব মিলিয়ে কি হচ্ছে তারই খোঁজ নিতে চীনের রণতরী বঙ্গপসাগরে হাজির।আর এই গবেষনা সম্পূর্ণ হলেই কি শুরু হবে মুখোমুখি সংঘর্স।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post