বিএনপি সভানেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে বাংলাদেশের মাটিতে পা দিয়েই নয়া চাল চাললেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।বাংলাদেশ সফরে এসে বড় ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেদিলেন তিনি। যার বিন্দুমাত্র টের পেল না বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূস।বুধবার ঢাকায় পৌঁছেই তিনি বাংলাদেশের বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এবং অতি কৌশলে গোপনে বৈঠক করেন দীর্ঘ সময়। যার মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়। এই সাক্ষাৎকারটি ছিল অতি গোপনীয় সাক্ষাৎকার।এই সাক্ষাতে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে ভারতের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেন। এছাড়াও তাদের মধ্যে বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয় যা নিয়ে ভারত এবং বাংলাদেশের বিএনপি’র পক্ষ থেকে কেউই মুখ খোলেনি। শুধুমাত্র জয়শঙ্করের একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে জানান।ঢাকা পৌঁছে তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তাঁর হাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ব্যক্তিগত চিঠি তুলে দিয়েছেন। চিঠির বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন-আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত বার্তাটি তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আমি গভীর সমবেদনা জানিয়েছি।সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরো জানান,বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও দূরদর্শিতা আগামী দিনে ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, জয়শঙ্কর এই সফরে বাংলাদেশের মানুষের শোকের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতেই এসেছেন। তবে কৌতূহলের বিষয় ভারত এবং বিদেশ মন্ত্রী জয়শঙ্কর একটিবারের জন্য মোঃ ইউনূসের নাম এবং সাক্ষাৎ কোনটাই প্রকাশ করেননি। অর্থাৎ ভারত যে প্রধান প্রতিষ্ঠা কে সরাসরি রিজেক্ট করেছেন তা বোঝাই যাচ্ছে।সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জয়শঙ্করের এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। এবং জয়শঙ্কর ও বিএনপি তারেক রহমানের গোপন সাক্ষাৎকার এক অন্যই মাত্রা দিচ্ছে ভারত বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের তা বোঝাই যাচ্ছে। শুধু তাই নয় তিনি কেবল সমবেদনা জানাতেই আসেননি বরঞ্চ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হওয়ার বার্তা দিয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী। আসন্ন নির্বাচন এবং খালেদা জিয়ার প্রয়াণ বাংলাদেশের রাজনীতিতে উঠে আসা পুত্র তারেক রহমান বিএনপির ফ্রন্টফুটে অন্যদিকে ইউনূসকে আড়াল রেখে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী জয়শঙ্কর তারেকের বৈঠক এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে পাঠানো চিঠি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভবিষ্যতের এক নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post