বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতের আশ্রয়ে হাসিনা। অগাস্ট থেকে ফেব্রুয়ারি পদ্মা দিয়ে বয়ে গিয়েছে বহু জল। বাংলাদেশের ঘোষণা হতেই যেন রণক্ষেত্র পদ্মাপাড়। সমাজ মাধ্যমে আওয়ামী লীগের প্রচার তারপরে দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়লো হিংসা। যার বহিঃপ্রকাশ গত বুধবার রাতে, ঢাকায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বর শেখ মুজিবর রহমানের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ধানমন্ডির বাড়িতেই থাকতেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাড়ি থেকে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। এই বাড়ি থেকেই তাকে পাকসেনা গ্রেফতার করে।
শেখ হাসিনা অডিও বার্তায় জানান সেই সময় এই বাড়িতে লুটপাট করা হলেও তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়নি ভাঙচুর করেনি।
ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির উপর হামলার ঘটনা নতুন নয়। জুলাইয়ের গনঅভ্যুত্থানের সময়ও বঙ্গবন্ধুর এই বাসভবন নিশানায় ছিল আন্দোলনকারীদের। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির জাদুঘর। এবার পুরো ভেঙ্গে চুরে ধুলিস্যাৎ করে দেওয়া হলো বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ধানমন্ডির 32 নম্বর বাড়ি।
হামলাকারীদের দাবি , হাসিনা এসেও তাদেরকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। সাহস থাকে হাসিনা ভারতে বসে নয় বাংলাদেশে এসে ভাষণ দিক। আওয়ামী লীগের না এত বড় বাহিনী, কোথায় তারা কোথায় দলের নেতা কর্মী? তারাও তো রক্ষা করতে পারল না ৩২ নম্বর ধানমন্ডি বাড়ি।
আবার কেউ কেউ বলছে হাসিনা দিল্লিতে আছেন দিল্লিতেই থাকুক। এদেশে এলে এভাবেই ধ্বংস হতে হবে হাসিনাকে। পরবর্তীতেও যদি কোন ফ্যাসিস্ট সরকার বাংলাদেশে আসে তাদেরকেও একইভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করবে ছাত্রনেতারা।
এত বড় তাণ্ডব জেলা চলার পরেও নির্বিকার বাংলাদেশ সরকার। এই ঘটনার পর ভারতের ওপর সম্পূর্ণ দায় ঠেলে দিল বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য নাহেদ ইসলাম, তুমি জানান, আইনি দিক থেকে শেখ হাসিনাকে আমরা ফেরত চাইবো। শেখ হাসিনা যদি দিল্লিতে বসে রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালায় তাহলে সেই দায় ভারত সরকারকেই নিতে হবে। আর শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করেছে ভারত।












Discussion about this post