ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় যারা চক্রান্তকারী তারা হল জামাত। আর ফ্রান্স প্যারিসে থাকা ইলু পিলুরা। তারা যে এখন কট্টর পাকিস্তান পন্থী, সেটা মুখোশ থেকে বেরিয়া গেছে, তাই তারাও জামাতকে সামনে থেকে সার্পোট দিচ্ছে। এবং কিভাবে জামাতকে ক্ষমতায় আনা যায়, তার পরিকল্পনা করছে। কারণ তারা জানে বিএনপি দলটি মুক্তি যুদ্ধের পক্ষে থাকা দল, এবং তারা মুক্তিযোদ্ধা। আর হাদির এই ঘটনা ঘটল কোন দিন? যে দিন বিএনপি ঘোষনা দিল তারেক জিয়া তার মেয়েকে নিয়ে পাকাপাকি দেশে আসতে চলেছেন। অর্থাৎ অনেক ভয় দেখিয়েও যখন তারেক জিয়াকে বিদেশে আটকানো যাচ্ছে না, তখন তারা তাদের প্রিয় রক্তের হোলি খেলা শুরু করে দিল। কারণ তারেক জিয়া দেশে ফিরলে এবং খালেদার কিছু হয়ে গেলে শুধু সহানুভুতির ভোটেই জিতে জাবে বিএনপি। এখন তো আওয়ামীলীগ নাই, তাহলে হাদিকে গুলি করা ব্যক্তিকে ছাত্রলীগের বলা হচ্ছে, কিন্তু সে এমন একজন অপরাধী, যার থেকে বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র উদ্ধার হয়, তাহলে তার দ্রুত জামিন হল কি করে? আসলেজামাতের মূল লক্ষ্য হল বিএনপি। কিন্তু সেটি তারা সরাসরি করতে পারছে না। তা হলে তারা ধরা পড়ে যাবে, তাই হাদির গুলিকান্ডে আওয়ামীলীগ এবং ভারতকেও জড়িয়ে দিতে চাইছে। আর মানুষের কাছে তাদের বিশ্বাস যোগ্যতা ধরে রাখতে নাটক করেছে, তারা বলছে যারা খুনিকে ধরিয়ে দিতে পারবে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা ইনাম দেবে।
কি অবাক কান্ড তারাই হাদির খুনিকে প্লেনে করে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়ে নাটক করছে। হাদি শুধু ভারত বিরোধী ছিল না, সে বর্তমান জামাতের বিরুদ্ধেও কথা বলেছে, এবং খালেদা জিয়াকে অসম্ভব সম্মান দেখিয়েছে। সব দিক বিচার করে জামাত তার জাল বিস্তার করতে শুরু করেছে। আর তাদের নিশানা থেকে কেউ বাদ যাবে না,শুধু তারাই বেঁচে যাবে যারা জামাতকে সমর্থন করবে।ওসমান হাদি যে নির্বাচনী ক্ষেত্র থেকে নির্বাচনে লড়াই করতে গিয়েছেন, সেই ঢাকা আট আসনে লড়াই করছন বিএনপির জনপ্রিয় মুখ মির্জা আব্বাস। কিন্তু কেউ বলছে না সেখানে লড়াই করছে জামাতের তরুন তুর্কি সাদিক কায়েমও। এই হত্যাকান্ডে সরাসরি যু্ক্ত কারা এই প্রতিবেদনে তা আপনাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে। আর স্পষ্ট হয়ে যাবে জামাতের লক্ষ্য, এবং এক ঢিলে কি করে তারা তিনটি পাখি মারল। এখন সমাজ মাধ্যমে এমন সব মিম বানানো হচ্ছে,যে গুলি স্পষ্ট উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে এবং বিএনপিকে অভিযুক্ত করে এবং জামাতকে হিরো করেই বানানো হচ্ছে। প্রচার করা হচ্ছে যে বিএনপি মানুষের কাছে ঢাকা আট আসনে ভোট চাইছে এই বলে, যে এখন তো তাকে ছাড়া আর কাউকে ভোট দেওয়ার নেই। কারণ ওসমান হাদি তো গুলিবিদ্ধ, এবং তারা সেখানে তাকে মৃত বলে দেখাতে চাইছে। কিন্তু যাদের কাছে বিএনপি ভোট চাইছে দেখাচ্ছে, তারা এটা বুজে গেছে যে, ওসমান হাদিকে পথের কাঁটা মনে করে বিএনপির মির্জা আব্বাস হত্যা করিয়েছে। কিন্তু তারা বলছে যে ঐ আসনে ওসমান হাদিই জিতবে, কারণ তাদের মধ্যেই ওসমান হাদির বিপ্লব বেঁচে আছে। আসলে তারা বোঝাতে চাইছে ওসমান হাদি না থাকলেও জুলাই বিপ্লবের আর এক মুখ সাদিক কায়েমও ঐ আসন থেকে লড়াই করছে।
এখানে জামাত যার নাম জড়িয়েছে, তাকে ছাত্রলীগের বলে প্রচার করলেও, বর্তমানে তার সঙ্গে সাদিক কায়েমের অন্তরঙ্গ বন্ধুত্য এবং সে যে এখন শিবিরপন্থি তা প্রশাসনের থেকেও জানানো হয়েছে। আর তাকে পাকিস্তানের এমব্যাসি থেকে সাহায্য করে পাকিস্তানে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। এখানে ছাত্রলীগের নাম জড়িয়ে প্রথম পাখি হিসাবে আওয়ামীলীগকে জড়ানো হয়েছে। মির্জা আব্বাসকে প্রতিদন্দ্বী দেখিয়ে দু নম্বর পাখি হিসাবে বিএনপির নাম জড়ানো হয়েছে। আর খুনি যেন ভারতে না যেতে পারে বা ভারত যেন এটা দেখে যে হাসিনার প্রচারণা মুলক বক্তব্যের ফলেই এই ধরণের ঘটনা ঘটছে, সেগুলির বিষয়ে ভারতের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়। ভারতও তার উত্তর দিয়েছে। ভারত সম্প্রতি স্পষ্ট করে বলেছে যে, তারা তাদের ভূখণ্ড বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যকলাপের জন্য ব্যবহার করতে দেয়নি এবং এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে, একইসাথে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু দাবির প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছে; উভয় দেশই শান্তিপূর্ণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঘটনার দিন পাকিস্তানের এমব্যাসিতে কারা কারা গেছে আসছে দেখলেই বোঝা যাবে হাদিকে গুলি করা ব্যক্তিটি কে আর কোথায় গেছে, এবং কারা সাহায্য করেছে।












Discussion about this post