গত বছর ৫ই অগাষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। তারপর থেকেই ভারতের আশ্রয় রয়েছে তিনি। এদিকে আওয়ামী লীগের বহু নেতা দেশ ছেড়ে কেউ বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। আর কেউ কেউ দেশের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছেন। তার মধ্যে গ্রেফতার হয়েছে বেশ কিছু জন। এরমধ্যে খবর, ভারতে রয়েছে বেশ কিছু আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতা মন্ত্রীরা। সূত্রের খবর, তারা ভারতে বসে নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি শেখ হাসিনার সঙ্গেও তাদের কথা হয়। শেখ হাসিনা এখনো প্রত্যেকটি নেতা মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন বলে খবর। এর মধ্যে একটি খবর এসেছে, যেখানে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ছক কষে ফেলেছেন। সর্বশক্তি দিয়ে ঝাপাবেন তিনি। যেকোনো মুহূর্তেই তিনি বাংলাদেশের পা রাখতে পারে বলে খবর।
সূত্রের খবর, আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন বলে খবর। এমনকি তিনি একটি জায়গাতে ভাড়া নিয়েছেন। এমনকি দলীয় বৈঠকের জন্য মাঝেমধ্যেই নাকি দিল্লিতে যান। তার সঙ্গে আরো উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা হয় বলে খবর। এমনকি আসাদুজ্জামান খান কামালকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের নেতাদের মনোবল বাড়ানোর জন্য। বিদেশে থাকা আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত তিনি কথা বলেন। এবং সমস্ত আপডেট জানান শেখ হাসিনাকে।
সূত্রের খবর, শেখ হাসিনা চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশে ফেরার জন্য। কিছুদিন আগেই খবর এসেছিল ৩১ জুলাই শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বেশ কিছু নেতা। হঠাৎ ডাকা হয়েছিল এই বৈঠক। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াবীর বিক্রম, জাহাঙ্গীর কবির নানক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মোজাম্মেল হোসেন, বাহাউদ্দিন নাসিম, সুজিত রায় নন্দী। এই বৈঠকে আলোচিত হয়েছে, ইউনূস সরকারের পতনকে ত্বরান্বিত করতে নির্দিষ্ট রূপরেখা, এই সমস্ত কাজে কোন কোন নেতা কি কি দায়িত্ব পাবেন, সেগুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এমনকি দলের নেতাদের সতর্ক করে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এমনকি নির্বাসিত সরকার গঠনে আলোচনা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, যে কোনও মুহূর্তে শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে পারেন।












Discussion about this post