একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে বয়ে গেছে তুমুল ঝড়। গত ১৯ শে অক্টোবর বাংলাদেশের প্রধান জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ তাদের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশ কার হাতে নিরাপদ থাকবে বলে মনে করেন ? বলে একটি পোস্ট করেছে। এই পোষ্টের অধিকাংশ কমেন্টটি শেখ হাসিনার পক্ষে। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম গণ আন্দোলন করে আওয়ামীলীগ কে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অথচ কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেজে করা পোস্টটিতে সকলে আওয়ামীলীগের সমর্থনে। কারণ গত ১৫ মাস মানুষ হয়ত ভুল বুঝে গত বছর জুলাই – আগস্টের কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনে মানুষকে হত্যা করে মানুষের আবেগকে নিয়ে যে আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল সেই আন্দোলনে সমর্থনকারী মানুষরাও তো দেখছেন বাংলাদেশ আসলে কার হাতে নিরাপদ। মানুষ পার্থক্য বুঝেছে তাই তাদের অভাবনীয় প্রতিক্রিয়া যে শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ। যার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে কালের কণ্ঠের ফেসবুক পোস্টে। নিঃসন্দেহে এটি ইতিবাচক দিক আওয়ামীলীগের জন্য।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই রাজনৈতিক দলটিকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যত এই দলটিকে নিয়ন্ত্রণারোপ করার চেষ্টা করছে ততো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আওয়ামীলীগ। আওয়ামীলীগ নেতাদের দ্বিচারিক হত্যাকাণ্ড ঘটানোর কারণে সরকার ইতিমধ্যেই অনেকগুলি পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে ৪৫ টির মতো মামলার বিচার চলছে আওয়ামীলীগের প্রধান নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা থেকে। অন্যদিকে, আইন মন্ত্রণালয় একটি প্রোগ্র্যাপন জারি করেছে জুলাই সহিংসতা বা হত্যাকাণ্ডের যত মামলা আছে সেগুলির ট্রাইবুনালে দ্রুত বিচার করা হবে। অর্থাৎ আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সরকার যতই ফন্দি আটছে ততই আওয়ামীলীগ জনপ্রিয়তার শ্ৰীশ্ৰী পৌঁছাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঢাকার রাজপথে আওয়ামীলীগের বেশ কয়েকটি বড় বড় মিছিল সংগঠিত হয়েছে। সেই মিছিল গুলিতে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রাস্তায় উপস্থিত থাকা বহু মানুষ এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। এমনকি আওয়ামীলীগের মিছিলে অংশগ্রহণকারী মানুষদের থেকে বাস ভাড়া পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। আওয়ামীলীগের মিছিলকে সমর্থন করছেন মানুষও। কাজেই আওয়ামীলীগের ফেরাটা এখন সময়ের অপেক্ষা।












Discussion about this post