ফের ভয়ঙ্কর হুঙ্কার মুজিব কন্যার। গত বছর আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফ থেকে প্রতিনিয়ত ভারত-বিদ্বেষ মূলক মন্তব্যতে এসেছে। কখনো চার দিনে কলকাতা দখল কখনো বাস সেভেন সিস্টার্স দখল। এমনকি সম্প্রতি বাংলাদেশকে সমুদ্র অঞ্চলের অভিভাবক বলে দাবি করতেও দেখা গিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুসকে। কিন্তু এত কিছুর পরেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করতে উদগ্রীব হয়ে ছিল বাংলাদেশ। আর এই বৈঠকের পরেই সে দেশের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিলো, শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে যে আলোচনা হয়েছে তাতে হাসিনাকে কিছুটা দমিয়ে রাখা যাবে। কিন্তু বৈঠকের পর কিছুদিন কাটতে না কাটতেই সরাসরি ইউনুসকে টার্গেট করে ফের হাসিনার হুঙ্কার সামনে এলো।
বিক্ষত ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে পড়ে দেশছাড়ার পর থেকে ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন। তবে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা । ভারতের আশ্রয় থাকাকালীন এর আগেও ভিডিও কনফারেন্সে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করে বাংলাদেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন।
উল্লেক্ষ্য,এরপর সোমবার রাতে দলের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন হাসিনা। প্রতিবারের মতো আত্মবিশ্বাসের সুরে তার ভাষণের মাধ্যমে তিনি জানালেন, ‘চিন্তা করবেন না, সব অপরাধের বিচার হবে, খুব শীঘ্রই দেশে ফিরছি আমি।’তীব্র ভাষায় হাসিনা আক্রমণ শানান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের বিরুদ্ধে। শেখ হাসিনা অডিও বার্তার মাধ্যমে মোহাম্মদ ইউনুস কে সুদখোর জঙ্গি নেতা বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
পাশাপাশি, প্রতিমুহূর্তে বাংলাদেশের যে সমস্ত নৃশংস ঘটনা ঘটে চলেছে। আর যাদের ওপর খুন হত্যা ও নির্যাতন করা হয়েছে তাদের পরিবারের সঙ্গেও ভার্চুয়ালি কথা বলেছেন আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে অডিওবার্তায় হাসিনা ইউনূসকে একজন সুদখোর, জঙ্গিনেতা বলে তীব্র আক্রমণ করে হাসিনা বলেছিলেন ‘ইউনূসের হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে, নারীর সম্ভ্রম রক্ষা করতে হবে’। হাসিনার সেই মন্তব্যে পাল্টা সুর চড়িয়েছিলেন ইউনূস সরকারও।
সেইসঙ্গে ভারতের কাছে ইউনূসের অম্তর্বর্তী সরকার হাসিনাকে তাদের হাতে তুলে দেবার দাবি জানালেও ঢাকার আবেদনে কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি নয়াদিল্লি।












Discussion about this post