গোটা অগাষ্ট মাস জুড়ে জানা গিয়েছিল, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে তৎপরতা চালাচ্ছে। তারা বাংলাদেশে ফেরার একটি ক্ষেত্র তৈরি করছে। এমনকি সেই সময় পুলিশের তরফেও সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু অগাস্ট মাসে সেরকম কিছু লক্ষ্য করা যায়নি। এখন বাংলাদেশের গণমাধ্যম বলছে, সেপ্টেম্বর, নির্দিষ্ট করে ২৯ সেপ্টেম্বরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নানা পরিকল্পনা করছে। সেই পরিকল্পনার লিড নাকি দেওয়া হচ্ছে দিল্লি থেকে। ২০ লক্ষ মানুষকে জোগার করে ঢাকা কাঁপাবে তারা। স্তব্ধ হবে ঢাকা। এদিকে আবার দেখা যাচ্ছে, চীনের সঙ্গে ভারতের নতুন বন্ধুত্ব। রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব। এই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনাকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করছেন। এমন নানা কথা সামনে আসছে।
আগস্ট মাসকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগকে নিয়ে যে আলোচনা চলছিল, এটা এখন সেপ্টেম্বরে গিয়ে ঠেকেছে। বাংলাদেশের বেশ কিছু গণমাধ্যম সেটাই বলার চেষ্টা করছে। সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র করছে নাকি আওয়ামী লীগ। ঢাকাতে ২০ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটানোর প্রক্রিয়াতে রয়েছে শেখ হাসিনার দল। সেই কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথেষ্ট তৎপর। পুলিশের মধ্যেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এমনকি আওয়ামীলীগের এই কার্যক্রম নাকি দিল্লি থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে বলা হচ্ছে। এমনকি বলা হচ্ছে, দিল্লিতে একটি অফিস নেওয়া হয়েছে। যেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে। বলা হচ্ছে, তিনটি নির্দিষ্ট টার্গেট চূড়ান্ত করে ফেলেছে আওয়ামী লীগ। এমনকি কোনও কোনও গণমাধ্যম বলার চেষ্টা করছে, ঢাকা অ্যাটাক নামে ছক কষার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। তারা নাকি অভ্যন্তরীণ নানা বৈঠক করছে। শুধু তাই নয়, সেপ্টেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে পুলিশি সতর্কতা জারি করা হয়েছে বাংলাদেশে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, তাই গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। এমনকি দেশের বিভিন্ন স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ শেখ হাসিনা আতঙ্কে সবদিক থেকে তৈরি বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকার।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে ধানমন্ডি এবং বনানীতে আওয়ামী লীগের মিছিল দেখা গিয়েছে। এমনকি গুলিস্তানেও আওয়ামীলীগের মিছিল লক্ষ্য করা গিয়েছে। ধানমন্ডির মিছিলে আওয়ামী লীগের ককটেল বিস্ফোরণ করতে দেখা যায়। যা ঘিরে বাংলাদেশের হইচই শুরু হয়ে যায়। অর্থাৎ আওয়ামী লীগের পরপর তিনটি বড় মিছিল দেখা গিয়েছে বাংলাদেশে। এই তিনটি মিছিল সেপ্টেম্বরকে কেন্দ্র করে করলো কিনা সেটা গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে। এদিকে গণমাধ্যমগুলি বলার চেষ্টা করছে, ভারত চীন এবং রাশিয়াকে কাজে লাগিয়ে শেখ হাসিনাকে নিয়ে বড়সড় পরিক্লপনা করছে। যেটা বাংলাদেশের ক্ষতি হবে। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশ ভারতের প্রতিবেশী দেশ। সেক্ষেত্রে কেন ভারত বাংলাদেশকে অস্থিতিশিল করবে? ভারত সবসময় চেষ্টা করে এসেছে, বাংলাদেশে যে শান্তি বজায় থাকে। তাতে ভারতেও শান্তি বজায় থাকবে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একইভাবে অগাষ্ট মাসে এমন হাওয়া তোলা হয়েছিল। ফের একই হাওয়া তোলা হচ্ছে সেপ্টেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে। এখন দেখার, আদেও কিছু ঘটে কিনা বাংলাদেশে? নাকি পুরোটাই গুজব বলে প্রমাণিত হয়!












Discussion about this post