জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানাকে বিএনপির আওয়ামী লীগ বিষয়ক অন্যতম সম্পাদক বলেছেন। এরপরই রুমিন ফারহানা একটি পোস্টের মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ছাত্রলীগের যে বড় নেতা এবং তিনি যে দায়িত্ব পেয়েছিলেন, সেরকম একটি চিঠি ফাঁস করেছেন। প্রকাশ্যে একটি গোপন চিঠি। সেখানে জানা যাচ্ছে, হাসনাত আব্দুল্লাহ ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন ২০২২ সালে। রুমিন ফারহানা যে চিঠিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন, সেই চিঠিটি যদি সত্যি হয়, তবে হাসনাত আব্দুল্লাহ সারজিস আলমের থেকে বড় জায়গায় ছিলেন ছাত্র লীগের মধ্যে। যেটা হাসনাত আব্দুল্লাহ বহুবার অস্বীকার করেছেন। চিঠির সঙ্গে বেশ কিছু পোষ্ট করেছেন রুমিন ফারহানা। সেখানে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি সত্যি সত্যি ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ? যিনি কিনা এখন মুজিব্বাদীর কবর রচনা করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন! এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলছেন।
এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ছাত্রলীগের বড় নেতা ছিলেন কিনা, এটা ঘিরেই এখন আলোচনা চলছে। রুমিন ফারহানা ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে একটি চিঠি পোস্ট করেছেন রুমিন। সেখানে ২০২২ সালের ৩১ জুলাই এই চিঠিটা ইস্যু করা। সেই চিঠিতে হাসনাত আব্দুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে দিয়েছিলেন তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। সেখানে লেখা, জনাব হাসনাত আব্দুল্লাহ। প্রিয় সমযোদ্ধা সংগ্রামী শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে উন্নত এবং সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নদ্রষ্টা দেশরত্ন শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০৪১ এ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বাস্তবায়নে আপনার সপ্রতিভ পদচারণা প্রশংসনীয়। আপনাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক পদে মনোনীত করা হল।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশ গড়ার প্রত্যয়ে বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত দেশরত্ন শেখ হাসিনার আদর্শিক ভ্যানগার্ড হিসাবে খুদা ও দারিদ্র্য মুক্ত ও সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার সর্বাত্মক অংশগ্রহণ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অগ্রযাত্রা কে বেগবান করবে।
এই চিঠিটা যদি সত্যি হয়ে থাকে, তবে প্রমাণিত হলো, হাসনাত আব্দুল্লা ছাত্রলীগের একজন বড় নেতা ছিলেন। এছাড়াও রুমিন ফারহানা বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পিতা হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
এখানে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি সত্যিই ছাত্রলীগের বড় কোনও নেতা ছিলেন হযরত আব্দুল্লাহ? তিনি কি আওয়ামী লীগের সময় সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন? নাকি এই চিঠি একদম ভুয়ো, মিথ্যে? এমন প্রশ্ন উঠে আসছে। সময় বলবে, বিষয়টি এখন কোন দিকে গড়াবে।












Discussion about this post