বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলগুলির অবস্থা এমন হয়েছে যে পুরো বাংলাদেশটাই সাপের ব্যঙ গেলার মত অবস্থা। জনপ্রিয় হওয়ার জন্য ভারত বিরোধীতা তো করে ফেলেছে পাকিস্তানি কায়দায়, কিন্তু যখন বুঝতে পারছে ভুল জিনিসে মুখ লাগিয়েছি, তখন না পারছে গিলতে আর না পারছে উগরাতে। সে বিষয়ে পরে আসি, আগে বলে নিই হাদির জন্য এই যে সব দলগুলির এত প্রতিবাদ আন্দোলোন এগুলি কার বিরুদ্ধে। এই দলের নেতারাই তো বলছে আওয়ামীলীগ বলে কিছু নাই। দেশের জনগন তাদের বিদায় দিয়েছে। সেটি যদি পুরোপুরি সত্যি না হয়, তাহলেও ক্ষমতায় তো আর আওয়ামীলীগ নাই। ক্ষমতায় যারা আছে তারা তো এই দলগুলি থেকেই নির্বাচিত লোকজন, মানে এই দলগুলির সরকারই চলছে বর্তমান বাংলাদেশে। তাহলে এই আন্দোলোন কাদের বিরুদ্ধে।নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধে, নাকি এগুলি সব জনগনকে আই ওয়াশ করা হচ্ছে। এই যে হাদিকে দেখতে গিয়ে হাসনাতের কান্না, যা দেখে মনে হয় এটি কুমিরের কান্না। আসলে হাদি যদি এনসিপি বা জামাতের রাজনীতিতে যোগ দিত, তাহলে হয়তো তাকে গুলি খেতে হত না। জনপ্রিয়তার দিক থেকে জামাত এনসিপিকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছিল হাদির রাজনীতি। হাদির বক্তব্যে শুধুই ভারত বিরোধীতা ছিল না। ছিল বিএনপি জামাত এবং এনসিপির বিরোধীতাও।। বলা হচ্ছে হাদিকে গুলি মেরেছে ছাত্রলীগের থানা অঞ্চলের নেতা। এই বক্তব্য ক্ষমতায় থাকলে জোর করে বলা যায়। কিন্তু যারা বলছে তারা একবারও কি ভেবে দেখেছে, যে ব্যক্তি হাদিকে গুলি করেছে, সেই ব্যক্তি মাত্র কিছু দিন আগে মানে নভেম্বরে মববাজি ১৭ লক্ষ্য অবৈধ টাকা এবং অবৈধ অস্ত্র নিয়ে ধরা পড়েছিল। তার এত দ্রুত জামিন হয় কি করে। আর ৫ই আগস্টের পর তো আওয়ামীলীগের কোন বুধ পর্যায়ের ছোট নেতাও বাড়ীতে নেই, রাজনীতি মববাজি তো দুর, তার প্রাণের ভয়ে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। অনেকে আবার মিথ্যে মামলায় দিনের পর দিন জেলে পচে মরছে। কারো তো জামিন হয়ে গেলেও জেলেই আটকে রাখা হচ্ছে, কারণ হল তাকে আবার নতুন করে মামলা দেওয়া হবে বলে পুলিশ কে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এই অবস্থায় আওয়ামীলীগের কোন বড় নেতা দ্রুত জামিন পেয়ে যাবে এটা কি কোন পাগলেও বিশ্বাস করবে। প্রথমে দায় চাপানো হচ্ছিল মির্জা আব্বাসের দিকে। বিএনপি যখন বুঝল এই দায় শুধু মির্জা আব্বাসের দিকে আসবে না।আসবে বিএনপি দলের দিকেও, তখন তারা প্রতিবাদ করে, এবং যে গুলি করেছে তার সব তথ্য ফাঁস করতে থাকে। ফলে জামাত দেখছে তাদের যে ষড়যন্ত্র সেটি ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। মানে তারা চেয়েছিল ঢাকা আট আসন থেকে একজনকে সরিয়ে দিয়ে এবং তার দায় আর এক জনের দিকে ঠেলে দিয়ে মাঝ থেকে তারা সাদিক কায়েমকে জিতিয়ে হিরো বানিয়ে দেবে। যেমন টি করেছিল ঢাকশুর নির্বাচনে। কিন্তু যখন তারা দেখল তারাই ফেসে যাচ্ছে, তখন সেফ খেলার জন্য এই গুলি কান্ডের দায় আওয়ামীলীগ এবং ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দিতে চাইল এবং ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করে বসল। যদিও ভারতের কড়া জবাবে সব এখন ঠান্ডা।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post