সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। আচমকাই ভারতীয় সেনার গোয়েন্দা শাখা বাতিল করে দিল বাংলাদেশ সফর। সেনাসূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম এই খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে তৈরি হওয়া অস্থিরতার প্রেক্ষিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের ঢাকা সফর বাতিল করেছে। যদিও বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি পত্রিকার শুক্রবারের (১৭ অক্টোবর) সংস্করণে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে ভারতীয় সেনার এক উচ্চস্তরীয় প্রতিনিধিদল বর্তমানে বাংলাদেশ রয়েছে। সেই খবরের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে বাংলাদেশের এক সাংবাদিক ভারতের ওই পত্রিকার সাংবাদিকের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যোগাযোগ করেন। পত্রিকার সাংবাদিক জানিয়ে দেন, সেনাবাহিনী আপাতত বাংলাদেশ যাচ্ছে না। না যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন বাংলাদেশ সেনার মধ্যে মধ্যে তৈরি হওয়া অস্থিরতার নিরিখে সফর বাতিল করা হয়েছে। নতুন করে সফরের দিন তারিখ স্থির হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। ভারতীয় পত্রিকার ওই সাংবাদিক প্রথম প্রকাশ করে ভারতীয় সেনার বাংলাদেশ সফরের খবর।
ভারতের ওই সংবাদপ্রতিনিধির কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশে পাকিস্তান ও আমেরিকার প্রত্যক্ষ প্রভাবের কারণ কারণেই কী ভারতীয় সেনা তাদের সফর বাতিল করেছে? জবাবে তিনি বলেন,‘একবারেই নয়। তাহলে অনেক আগেই ভারতীয় সেনা বাংলাদেশ যেত না। আসলে এই সফর বাতিলের পিছনে মূল কারণ প্রোটকল। কারণ, সেনাবাহিনীর উচ্চস্তরীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ গেলে তাদের সরকারিভাবে অভ্যর্থনা দেওয়ার কথা। কিন্তু তাদের অভ্যর্থনা কে দেবে? সেবাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য, যাদের মধ্যে অনেকেই কর্মরত তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাই সেনাবাহিনীর মধ্যে তৈরি হওয়া অস্থিরতার প্রেক্ষিতেই ভারতীয় সেনা তাদের সফর আপাতত বাতিল করেছে।’ উল্লেখ করা যেতে পারে বাংলাদেশ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আগাম জানিয়ে দিয়েছেন, যে তাঁর পক্ষে ভারতীয় সেনাসদস্যদের অভ্যর্থনা দেওয়া সম্ভব নয়। উত্তরপাড়ার তরফে বলা হয়েছে, বিশেষ কারণে সেনাপ্রধান ওয়াকার ভারতীয় সেনাসদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে পারছে না। কী সেই বিশেষ কারণ, তা সহজেই অনুমান করা যেতে পারে। ভারতীয় সেনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বেশ চাপে পড়ে যেতেন। নানা অপ্রীতিকর প্রশ্নের মুখে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল। সেই অস্বস্তিকর পরিবেশের হাত থেকে আড়াল করতেই তিনি ভারতীয় সেনাসদস্যদের সঙ্গে দেখা না করার সিদ্ধান্ত নেন। আর এখন বাহিনী বাংলাদেশ না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভারতীয় সেনার গোয়েন্দা শাখার এক প্রতিনিধিদল, যার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল মেজর জেনারেল কুন্দন কুমার সিংয়ের, তাদের বাংলাদেশ যাওয়ার কথা ছিল।
এদিকে, এদিনের আরও একটি খবরে জানা গিয়েছে, দুই সীমান্তে দুই পড়শি দেশকে নিয়ে চিন্তিত পাকিস্তান। আফগানিস্তান সীমান্তে তালিবানের সঙ্গে সংঘাতের পর আপাতত সংঘর্ষবিরতির পথে হেঁটেছে পাকিস্তান। কিন্তু আর এক পড়শি ভারতকে নিয়ে চিন্তিত ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই আশঙ্কার কথাই জানিয়েছেন সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তাঁর দাবি, তালিবানের মতো পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতে জড়াতে পারে নয়াদিল্লি। সে কথা মাথায় রেখেই দ্বিমুখী যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post