বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম মানবজমিনের সম্পাদক সম্প্রতি এক প্রতিবেদন লিখেছেন। যার শিরোমান “বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নাটকীয় মোড়”। ওই প্রতিবেদনে প্রবীন সাংবাদিক তথা সম্পাদক নানা গৌড়চন্দ্রিকা তৈরি করে লিখেছেন কিভাবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক নাটকীয় মোড় নিতে চলেছে। তিনি দাবি করেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের কৌশল ছিল ভুলে ভরা। এজেন্সির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন ভারতের নীতিনির্ধারকরা। তাই এবার থেকে নাকি ভারত তাঁদের নীতির পরিবর্তন করছে। দু’দেশের সম্পর্কের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নীতি-কৌশল সাজিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবং এখন থেকে তিনি নিজেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন আর সমস্ত দায়িত্ব ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের উপর দিয়েছেন। এর পর থেকেই নাকি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ও দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ আরও সক্রিয় হয়ে পড়েছেন। আর এ সবই হচ্ছে তৃতীয় একটি দেশের মধ্যস্থতায়। তবে ওই পত্রিকা দেশটির নাম উল্লেথ করেনি। এখন প্রশ্ন হল, এই প্রতিবেদনের দাবি কতখানি সত্যি!
গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক যে সবচেয়ে তলানিতে অবস্থান করছে তা মেনে নিতে কারও অসুবিধা নেই। হাসিনা ছিলেন ভারত-বন্ধু। বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী বরাবরই দাবি করে আসছে, হাসিনার আমলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ছিল একতরফা এবং আত্মসমর্পণমূলক। আর বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিহিংসামূলক। ফলে কূটনৈতিক চ্যানেলে যোগাযোগ প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। ভারত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকে আশ্রয় দিয়েছে। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার সদস্য এখন ভারতের অবস্থান করছেন। এটাই মূলত ক্ষমতাসীন ইউনূস প্রশাসনের মূল রাগের কারণ। এছাড়া ভারত কার্যত বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়, বন্ধ হয়েছিল ভিসা দেওয়া, এমনকি মানবিক ভিসাও বন্ধ করে ভারত। ফলে সীমিত হয়ে গেল যোগাযোগ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post