২০২৪ বাংলাদেশের পালা বদলের পর ক্ষমতার আসনে বসেছেন মুহাম্মদ ইউনূস। তার প্রথম কাজটিই ছিল বাংলাদেশ জন্মের জনক মুজিব ও তার পরিবারকে ক্ষমতাচ্যুত এবং বাংলাদেশ থেকে তাড়ানো সেই মতন। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ ছাড়া করানোর পর এবার ইউনূসের চক্রান্তের বলি বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান। তাই এবার কিভাবে মুজিবের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে তারই ছলচাতুরি শুরু করেছে প্রধান উপদেষ্টা ও তার সরকার। আগেই বাংলাদেশের স্কুল-কলেজের পাঠ্যবই থেকে জাতির পিতা মুজিবুর রহমানের লেখা এবং তাঁকে নিয়ে রচিত নিবন্ধের বেশিরভাগই বাতিল করা হয়েছিল এখানেই শেষ নয় এবার বাংলাদেশের ৫০০ টাকার নোট থেকে মুজিবের প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলা হল। আগামী বৃহস্পতিবার বাজারে আসছে ৫০০ টাকার নতুন নোট যেখানে আর থাকছে না মুজিবুর রহমানের ছবি। ২০২৪ গণ আন্দোলনে ফলে মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর ইতিমধ্যে ২০, ৫০, ১০০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছে। সেগুলিতেও শেখ মুজিবের ছবি রাখা হয়নি। গতবছর হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে শেখ মুজিবকে চিরতরে মুছে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে এসেছিল ইউনূস সরকার। যেমন তারা প্রথমেই টার্গেট করেছিল ঢাকার ধানমন্ডিতে তাঁর বাড়িটির উপরে হামলা। তিন দফায় ওই বাড়িতে হামলা চালিয়ে প্রায় ৯০ শতাংশ স্মৃতি মুছেই ফেলেছে। বাংলাদেশের অনেকেই মনে করতেন ধানমন্ডির ৩২ এর বাড়িতে শুধু মুজিবের বাড়ি বলে পরিচিত ছিল না এটি ছিল বাংলাদেশের সংস্কৃতি বাংলাদেশ জন্মের লড়াইয়ের অনেক ইতিহাসের সাক্ষী কিন্তু ইউনুস তা চক্রান্ত করে সেই স্মৃতি বাংলাদেশের জনগণকে ভোলাতে প্রথমে টার্গেট করেছিল ধানমন্ডি।প্রতিটি মানুষ তার ঐতিহ্যবৃত্তি পরিচয় কে চিরতরে স্ব যত্নে বাঁচিয়ে রাখতে চায় কিন্তু এ কেমন ইউনুস যেখানে বাংলাদেশের জাতির জনক শুধু বঙ্গবন্ধুকেই মুছে ফেলা নয় বাংলাদেশের ইতিহাসকেই মুছে ফেলতে চাইছে আবার বাংলাদেশের সিংহাসনেই বসে তবে কি বাংলাদেশকেই ভেঙে ফেলার চক্রান্ত ইউনূসের। এবার মুজিবের প্রতিকৃতি ছবি ছাড়া নতুন নোট বাজারে আসছে তাই-ই শুধু নয়, বহু কোটি টাকা খরচ করে ছাপানো বিপুল অংকের নোট বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে না ছাড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ সেগুলিতে শেখ মুজিবের ছবি রয়েছে তাই বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতি হোক কিন্তু ইউনুস সাহেবের ব্যক্তির স্বার্থ চরিতার্থ জন্য তিনি সবই করতে রাজি এখান থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় মোহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশের উন্নতি না বরঞ্চ বাংলাদেশকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার জন্যই প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি থাকা যাবতীয় নোট দফায় দফায় বাজার থেকে তুলে নেওয়া হবে। যা বর্তমানে বিভিন্ন জনের কাছে রয়েছে।
নোটে শেখ মুজিবের ছবি তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর থেকেই ছাপা হতো। পরবর্তীকালে সরকারিভাবে তাঁকে জাতির পিতা ঘোষণার পর নোটের পাশাপাশি কয়েন এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দলিলেও তাঁর প্রতিকৃতি থাকত। ইউনূস সরাসরি একটি মামলায় আদালতে জানিয়েছে তারা মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা মানেন না। যদিও সরকারিভাবে এই বিষয়ে কোনও নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়নি। কারণ এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বলবৎ করতে হলে বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধন করতে হবে। সে দেশের সংবিধানেই শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেইমতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসে তাঁর প্রতিকৃতি রাখার বিধানও রয়েছে সংবিধানে। ইউনূস সরকার আদতেই বাংলাদেশের সব কিছুই পরিবর্তন করে দিতে চাইছে তবে কি বাংলাদেশকে পাকিস্তানের কাছে বিক্রি করে দিতে চাইছে কারণ যেখানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি মানেনা বাংলাদেশের কালচার মানেন না বাংলাদেশের ইতিহাস মানেন না তাহলে খুব স্বাভাবিকভাবেই ধরে নিতে হয় ইউনূসের চোড়া ইচ্ছাটা ঠিক কি!
৫০০ টাকার নতুন নোটে মুজিবুর রহমানের প্রতিচ্ছবি তুলে দিয়ে সেই জায়গায় টাইগারের ছবি লাগানো হচ্ছে। অনেক নিন্দুকেরা তো আবার ইউনুসকে নিন্দার ছলে বলছেন আসলে মজিবুর রহমানকে কি তবে টাইগার এর রূপেই কি শক্তিশালী হিসাবে দেখছেন মুহাম্মদ ইউনূস!
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post