তিনি মনে করলেন পৃথিবীটা একটা এনজিও সংস্থা। তিনি মনে করলেন তার মাথায় মার্কিন হাত। তিনি ভাবলেন সব বদলে দেবেন। কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিধর দেশ আমেরিকাকে তিনি তার দেশের দ্বীপ, বন্দর সব তুলে দিয়েছেন, আমেরিকা পাকিস্তান তুর্কি তার সঙ্গে আছে। অতয়েব এবার তিনি সামনে থেকে নেতা সেজে ভারতকে হুমকি দেবেন, আর পিছন থেকে তার মালিকরা তাকে সববিষয়ে সমর্থন করবে। এখন বন্ধুরা বুঝে গেছেন এই প্রতিবেদনে কার কথা বলা হচ্ছে। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন তিনি মহম্মদ ইউনূস।আর বিষয়টি হল চিকেন নেকে ভারতের অধিকার বিস্তার।তবে একটু আগে যে বলেছি বাংলাদেশ তার দেশ, সেটি ঠিক নয়, ডিপস্ট্রেট আর জঙ্গীদের সমর্থনে দখল করেছেন মাত্র।আর বেশীদিন ক্ষমতা আকড়ে থাকতে চাইলে এই বয়সে না আবার, এমন কিছু তার সঙ্গে ঘটে যায়, যে তিনি গদিতে বসার জন্য আফসোস করেন। তিনি গদিতে বসার আগেই ফ্রান্স থেকে ভারতকে হুঙ্কার দিয়েছিলেন, বাংলাদেশের দিকে তাকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং সেভেন সিস্টার বিপদে পড়ে যাবে। সেই শুরু তার পর থেকে তিনি ক্রমাগত ভারতের সেভেন সিস্টারকে ল্যান্ড লক ক্যান্ট্রি, তিনিই এক মাত্র মহাসমুদ্রের মালিক, এই সব বলে বাংলাদেশের কিছু নির্বোধ মানুষের মনকে খুশি করছেন।
এখন অসমর্থিত ভাবে শোনা যাচ্ছে যে ভারত তার ২২ কিলোমিটার চিকেন নেককে ৬০ কিলোমিটারে পরিনত করেছে। কিন্তু এই নিয়ে ভারত সরকারিভাবে কিছু বলেনি, আবার বাংলাদেশও এর সত্যতা নিয়ে কোন বিবৃতি দেয়নি। যদিও ভারত যা করে তা করে গোপনে। আর ভারত করার পর গোটা বিশ্ব জানতে পারে। যেমন কিছুদিন আগে মায়ানমারে উলফার জঙ্গী গোষ্ঠীগুলির ঘাঁটি ধ্বংস করার পরও ভারত প্রকাশ্যে কোন বিবৃতি দেয়নি। তবে অনেক দিন ধরেই চিকেন নেক নিয়ে ইউনূসের বির্তকিত মন্তব্যের জন্য, ভারত বিরক্তি প্রকাশ করেছে। চিকেন নেকের যে জায়গাটি দখলের কথা বলা হচ্ছে, সেটি জনবসতি হীন জায়গা। তাই ভারতের সেনা যদি তার কিছুটা দখল করে রাখে তবে তা বোঝার উপায় কম। যদিও ভারত এই ধরণের কিছু করবে না বলেই বিশ্বাস কূটনৈতিক মহলের। তবে পাকিস্তানের আইএসআই কে যে ভাবে ভারতীয় সীমান্তে ঢোকানো হচ্ছে, তা ভবিষ্যতের জন্য চিন্তার আর সেই চিন্তার কথা ভেবে ভারত কিছুটা এলাকা দখল করলে তার বিরুদ্ধে যাওয়ার ক্ষমতা আছে কি ইউনূসের।
আসলে মহম্মদ ইউনূস চিকেন নেকের দখল নিয়ে নেব বলে শুধু নিজের দেশের নির্বোধগুলোকে খুশি করেই খুশি হননি, তিনি চেয়েছেন ভারতের শত্রুদেশগুলিকেও খুশি করতে। তাই খুব সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানকে বাংলাদেশের ম্যাপের সঙ্গে ভারতের সেভেন সিস্টারকেও জুড়ে দিয়েছেন। তিনি শুরু থেকেই কিছু পেটোয়া গণমাধ্যমকে দিয়ে প্রচার করিয়ে আসছেন, যে তিনি দেশের মধ্যে উন্নতির জোয়ার নিয়ে এসেছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ বলছে অন্য কথা। আর জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন গুলি হল কাগুজে বাঘের মত। তা না হলে বাংলাদেশে ২২ শতাংশ হিন্দু কমতে কমতে ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর এই হারে হিন্দুদের উপর অত্যাচার চলতে থাকলে, হিন্দুদের অবস্থা পাকিস্তানের মত হবে। আর বাংলাদেশ সেই পথেই হাঁটতে চাইছে। আর জ্যাতি সংঘ মানবাধিকার কমিশন এগুলি দেখছে তারা তাদের প্রভুদের জন্য কি করতে পারছে। ফলে এখন ভারতকে যে কিছু একটা ব্যবস্থা নিতে হবে তা বুঝতে পারছে গোটা বিশ্ব।












Discussion about this post