বাংলাদেশ যেভাবে অশান্ত হচ্ছে, তাতে শুধুমাত্র ভারত নয়। রাশিয়ার মত দেশও সাবধান করেছে বাংলাদেশকে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করুক বাংলাদেশে। এমনকি ৭১ এ ভারত যেভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছে রাশিয়া। এরমধ্যে খবর এসেছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ডিফেন্স প্যাক সাইন করবে। যেখানে পাকিস্তানি অ্যাটাক মানে বাংলাদেশে অ্যাটাক। আর বাংলাদেশে অ্যাটাক মানে পাকিস্তানে অ্যাটাক হিসাবে ধরা হবে। অর্থাৎ বাংলাদেশকে একটি যুদ্ধের পরিস্থিতিতে টেনে নিয়ে যাচ্ছে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস এবং পাকিস্তান। এদিকে ডিপ স্টেট চাইছে, ডলার ক্রাশের আগে যে করেই হোক ভারত যেন পাকিস্তানে অ্যাটাক করে। আর যদি পাকিস্তানে আক্রমণ না হয়, তবে বাংলাদেশকে ওরা এক্টিভ করবে। ডিপ স্টেট মোহনুদ ইউনূসের মদতে বাংলাদেশে ও পাকিস্তানের মধ্যে বিশেষ প্যাক সাইন করিয়ে নিয়ে ভারতকে প্রভোক করবে। যাতে জটিলতা তৈরি হলে, সেটা বড় মাত্রায় হবে। যদি বাংলাদেশ আমেরিকাকে খুশি করার জন্য ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় কোনও হামলা বা জঙ্গি কার্যকলাপ করায়, তবে পাল্টা ভারতের জবাব কি হবে, এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। বাংলাদেশের জনগণ ভাবছে, পাকিস্তানের নিউক্লিয়ার তাদের বাঁচাবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান নিজেদেরকেই লড়তে পারেনি। সেখানে বাংলাদেশকে কিভাবে বাঁচাবে? অন্যদিকে, একটা দেশে নিউক্লিয়ার থাকলেও যে কোনও মুহূর্তে ব্যবহার করা যায় না। নির্দিষ্ট প্রোটোকল আছে। সেটা কি জানে বাংলাদেশ?
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post