চিনের আরও এক নাম অচিন। কেমন, সেটা জানাতেই এই প্রতিবেদন।
আমরা সাদা চোখে দেখলাম চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বেশ গলায় গলায়। সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে দুই দেশের মধ্যে নানা চুক্তি হয়েছে। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম আমরা দুটি ভাই, জগাই আর মাধাই। কিন্তু দেশটা যে কত ফন্দিবাজ, সেটা আরও একবার ধরা পড়ল। ভারতকে বন্ধু বলেও লাদাখ সীমান্তে তাদের সন্দেহজনক কার্যকলাপ শুরু হয়েছে। স্যাটেলাইট ইমেজে সেই চিত্র ধরা পড়েছে। ভারতের গণমাধ্যম তো বটেই, এমনকী বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে চিনের এই গোপন কার্যকলাপের খবর ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে।
বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, সীমান্ত থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরে প্যাংগং হ্রদের পূর্ব তীরে চিন একটি নতুন সামরিক ঘাঁটি তৈরি করেছে। অরুণাচল প্রদেশের কাছে তিব্বতের লুনজে তারা একটি বিমানঘাঁটিতে চিন ৩৬টি মজবুত বিমান বাংকার, নতুন প্রশাসনিক ব্লক ও একটি নতুন অ্যাপ্রণ তৈরি করেছে। ভারত-চিন সীমান্তের ম্যাকমোহন লাইন থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ঘাঁটি নয়াদিল্লির মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং কৌশলগত কারণে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। লুনজে ঘাঁটি এই তাওয়াং থেকে প্রায় ১০৭ কিলোমিটার দূরে। নতুন বিমান বাংকার নির্মাণের কারণে চিন এখন তাদের যুদ্ধবিমান ও ড্রোনকে আরও বেশি কাজে লাগাতে পারবে। এই দুটিকে আরও সামনে মোতায়েন করার সুযোগ পাবে। অত্যাধুনিক এই প্রতিরক্ষা কমপ্লেক্সে রয়েছে কমান্ড সেন্টার, ব্যারাক, যানবাহন রাখার শেড, অস্ত্রাগার এবং রাডার ঘাঁটি।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রাক্তন প্রধান এয়ারচিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া ভারতের ওই গণমাধ্যমকে বলেন, ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে চিনের কৌশলগত ফাইটার ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার লুনজে ঘাঁটি থেকে চিনা সেনাবাহিনী সহায়তা দেবে লুনজেতে ৩৬টি বিমান বাংকার নির্মাণ স্পষ্টভাবেই সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ওই গণমাধ্যম থেকে দাবি করা হয়েছে, চিন একটি মানববিহীন এরিয়াল ভেহিকেল ব্যবহার করছে, যা ১৬ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতা থেকে স্বল্পপাল্লার আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
তবে বসে নেই ভারত। দেশের সেনাগোয়েন্দারা চিনের এই গোপন পরিকল্পনার খবর পাওয়া মাত্র কেন্দ্রকে জানিয়ে দেয়। কেন্দ্রের তরফ থেকে শুরু হয় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রায় ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় একটা বায়ুসেনা ঘাঁটি তৈরি করেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর অন্যান্য দেশ ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এই সেনাঘাঁটির গড় তাপমাত্রা হিমাঙ্ক থেকে ৪০ ডিগ্রি নিচে। আর চিন সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে, নিয়ন্ত্রণ রেখার খুব কাছেই নিওমায় তৈরি হয়েছে এই বায়ুসেনাঘাঁটি। সেনাসূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, বাহিনী এই বায়ুসেনা ঘাঁটি তৈরির জন্য চারমাস সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই সেনাবাহিনী সেই কাজ সম্পন্ন করেছে। এই সেনা ঘাঁটিতে রয়েছে তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্য একটি রানওয়ে। মিগ টুয়েন্টি নাইন এবং সুখোই থার্টি যুদ্ধবিমানের মতো বিমানকে এই সেনা ছাউনিতে রাখা যাবে। তৈরি করা হয়েছে হ্যাঙার। রয়েছে রাফালে যুদ্ধবিমান। সব থেকে উল্লেখ করার মতো বিষয় হল, অত্যন্ত গোপনে তৈরি করা হয়েছে এই সেনাছাউনি। এতটাই গোপনে যে বাকিরা কেউ টের পায়নি।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post