পাকিস্তান থেকে বার বার যুদ্ধের হুমকি আসছে, হুমকি আসছে পাকিস্তানের জেনারেল আসিফ মুনিরের তরফ থেকে, হুমকি আসছে শাহবাজ শরিফের তরফ থেকেও।পিছন থেকে ইন্ধন দিচ্ছে পশ্চিমাদেশগুলি। যারা বার বার ভারতের অর্থনীতিকে ধাক্কা দিতে চেয়েছে। তাদের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে তৎপর হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। তাই রাতদিন চলছে করাচির সদর দফতরে মিটিং।আসিফ মুনির আগেই হুমকি দিয়ে রেখেছেন পরমানু যুদ্ধের। সেটিও আবার আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে। তার দাবী ভারত যদি পাকিস্তানের উপর বাঁধ তৈরী করে তবে তা মিসাইল দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হবে।
যদি ভারত আমাদের শ্বাস রোধ করে তবে অর্ধেক পৃথিবীকে আগুনে ভরে দেব। তার চোখে এখন যুদ্ধের আগুন। কাশ্মিরে ইতি মধ্যেই শুরু হয়েছে গোলাগুলি শুরু হয়েছে। এর থেকে প্রতিটি মানুষের মনে এক প্রশ্ন, ভারত পাকিস্তান সংঘর্স কি দ্রুতই ঘটতে চলেছে।কারণ ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী এক ভাষনে বলেছেন যে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ আমাদের কল্পনার থেকেও দ্রুত আসছে। তাদের বলব এখনই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ নিশ্চিত নয়। বর্তমানে, উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা থাকলেও, সংঘর্ষের কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই।আর ভারতের সেনাপ্রধানের এই বক্তব্য পাকিস্তানকে চাপে রাখার একটি কৌশল। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ঘটনা ঘটেছে যা উত্তেজনা বাড়িয়েছে, যেমন ইসলামাবাদের এক মঞ্চ থেকে শাহবাজ শরিফের ফাঁকা আওয়াজও শোনা গেছে, যদিও তার কন্ঠ্যে ছিল দৃঢ়তার থেকে ভয় বেশী। দেশের জনগনকে গরম বক্তিতার মাধ্যমে নিজের পক্ষ্যে রাখার কৌশল। তিনি বলেছেন যে ভারত যদি আমাদের পানি আটকায়, দিল্লীকে এমন শিক্ষা দেব যে যা মোদি জীবনে ভুলতে পারবে না।আর এই শুনেই জনতা খুশিতে ফেটে পড়ল। তার কন্ঠ্যে কোন রাজনৈতিক বার্তা ছিল না, ছিল প্রতিশোধের ছায়া আর ক্ষমতা ধরে রাখার মরিয়া কৌশল। পাকিস্তান আমেরিকার থেকে উস্কানি পেয়ে যতই তর্জন গর্জন করুক না কেন, তবুও পরিস্থিতি যুদ্ধের দিকে মোড় নেওয়ার মত অবস্থা এখনও তৈরী হয়নি।
অপারেশন সিন্দুরের ক্ষত এখনও সারিয়ে তুলতে পারেনি পাকিস্তান, তবে পাকিস্তান সেনাতে একটি রীতি হল, প্রচন্ড ভারত বিরোধী কথা বলে ক্ষমতায় টিকে থাকা। কারণ জনপ্রিয় থাকার এক মাত্র পথ হল ভারত বিরোধীতা।পাকিস্তান সেনাপ্রধানদের কাজই হল ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ যুদ্ধ আবহাওয়াটিকে টিকিয়ে রাখা। আসিফ মুনিরের রাগের আরও কারণ হল, তার এই যুদ্ধের হুঙ্কারকে পাত্তা দিচ্ছে না ভারত। আর ভারত তো আগেই বলে দিয়েছে কোন পরমাণু হুমকির কাছে মাথা নত করবে না। যদিও বর্তমানে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক বেশ উত্তেজনাপূর্ণ এবং মাঝে মাঝে সীমান্ত এলাকায় ছোটখাটো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। তবে, এই ধরনের ঘটনাগুলি প্রায়ই ঘটে এবং সেগুলি সাধারণত দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। যদি আমরা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির দিকে তাকাই, তাহলে দেখব যে, কাশ্মীর সীমান্তে উভয় দেশই কিছু সামরিক কার্যকলাপ বাড়িয়েছে এবং একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগ করেছে, অন্যদিকে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে তাদের ভূখণ্ডে আগ্রাসনের অভিযোগ এনেছে।
এই পরিস্থিতিতে, উভয় দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে, এই ধরনের পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমানো এবং শান্তি বজায় রাখা উভয় দেশের জন্যই জরুরি। সুতরাং, এটা বলা যেতে পারে যে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি, তবে পরিস্থিতি সবসময় নজরদারির মধ্যে রাখা উচিত।












Discussion about this post