পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে ভারতের নীল নকশা তৈরি। খুব শীঘ্রই এটি ভারতে অংশ হবে বলে দাবি করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর জন্য আক্রমণেরও প্রয়োজন হবে না। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষই ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি তুলেছেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিয়েছেন মরক্কো। সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে তিনি দেখা করেন। তাদের সঙ্গে আলাপাচারিতায় রাজনাথ সিং বলেন, ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর খুবই ভারতের অংশ হবে। সেখানকার মানুষ ইতোমধ্যে সেই দাবি তুলতে শুরু করেছেন। ’ সেই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘বছর পাঁচেক আগে কাশ্মীর উপত্যকায় ভারতীয় সেনার এক অনুষ্ঠানে আমি বলেছিলাম পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করতে আমাদের আক্রমণ করার কোনও প্রয়োজন হবে না। ওটা এমনিতেই আমাদের হবে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরও বলবে আমরা ভারতের অংশ। সেই দিন আর বেশি দূরে নেই।’
রাজনাথ এও বলেন, পিওকে কখনই ভারতের অংশ ছিল না। সেটি ভারতের অংশ। ভারতীয় সংসদে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনাও গৃহীত হয়েছে।
রাজনাথ সিংয়ের এই দাবির পিছনে রয়েছে এক নিখুঁত পরিকল্পনা। সে বিষয়ে যাওয়ার আগে একটি প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে দেখা যাক। একটি মার্কিন সি-সেভেন্টিন বিমান কিছুদিন আগে রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে কয়েক ঘণ্টা থাকার পর ফের আমেরিকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কেন এল, কেনই বা উড়ে গেল, আর কী নিয়েই বা গেল, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। উদ্দেশ্যহীনভাবে যে ওই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ আসেনি, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
এবার কতগুলি সম্ভাব্য দিক নিয়ে আলোকপাত করা যাক। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ হবে। দিল্লি বেশি দূরে নেই। তাহলে কী ইসলামাবাদ ঢাকার হাতে তুলে দেবে ওই অংশ। নূর খান বিমানবন্দরে মার্কিন যুদ্ধবিমানের আসা এবং কিছু সময় থেকে চলে যাওয়া, তিন, পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরবের চুক্তি। এই তিনটি বিষয়ের মিল কিন্তু এক জায়গায়।
পাকিস্তান নিশ্চয় থালায় সাজিয়ে ভারতের হাতে পিওকে তুলে দেবে না। তাহলে কী মার্কিন যুদ্ধবিমান নূর খান এয়ারবেস থেকে পারমাণবিক সমরাস্ত্র তুলে নিয়ে গেল? আর সৌদি আরব ভারতের কথাতে পাকিস্তানের বাকি পারমাণবিক অস্ত্র নিজের দেশে মোতায়েন করাচ্ছে যাতে আগামী দিনে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হামলা হলে ইসলামাবাদ কোনওভাবে পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগ করতে পারবে না।
একসময় নূর খান বিমান ঘাঁটি মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইয়ের গোপন ডেরা ছিল। বলা হয়, যেহেতু ভারত সোভিয়েত ইউনিয়নের মিত্র শক্তি ছিল, তাই সিআইএ তলে তলে পাকিস্তানকে তৈরি করছিল। উদ্দেশ্য তাদের একটা কাউন্টার হিসেবে তৈরি করা। আর পাকিস্তানের নূর খান এয়ারবেসে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি মোতায়েন ছিল। এটা ধরে নেওয়া যেতেই পারে, ইসলামাবাদ যাতে বিনা প্ররোচনায় ভারতকে এই সব অস্ত্রের নিশানা না করে, তাই আগ থেকেই আমেরিকা ওই প্রযুক্তি সেখান থেকে সরিয়ে দিল।
এবার ফিরে যাওয়া যাক নূর খান এয়ারবেসের দিকে। এই নূর খান এয়ার বেসের ওপর হামলা চালিয়েছিল ভারতীয় সেনা। আর সেই খবর পাওয়ার পরে পরে ট্রাম্পের ফোন আসে দিল্লিতে। এক ফোনে বন্ধ হয় যুদ্ধ। তাহলে কী ওই এয়ারবেসে এমন কিছু ছিল, যার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে বড় ধরনের বিপত্তি ঘটতে পারে। সেটা এড়াতেই ট্রাম্প সোজা মোদিকে ফোন করেন।
রাজ
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post