রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই, ইউরোপ থেকে আওয়াজ উঠেছিল, পুতিন যদি কোন বিদেশ যাত্রা করে, তাহলে যেন পুতিনকে সেই দেশে যুদ্ধপরাধী হিসাবে বন্দি করা হয়। যে কারণে বহু দেশ পুতিনের বিদেশ যাত্রাতে প্রতিবন্ধকতা লাগিয়েছিল। কিন্তু ভারত চীন ইরানের মত দেশগুলি ইউরোপের এই শর্ত মানতে চায়নি। ফলে ইউরোপের সেই চাল তখন কোন কাজে আসেনি। এখন আবার ইউরোপ চাইছে পুতিনের পায়ে বেড়ী পরাতে। কিন্তু এই পরিকল্পনার পিছনে লুকিয়ে আছে গভীর রহস্য। পুতিনকে বাঁধার এই পরিকল্পনাতে শুধু পুতিন একাই বন্দি হবেন না, বন্দি হবে ভারতের বিকাশ,ভারতের অগ্রগতি, ভারতের সামরিক আর্থিক বৈভব। আর ইউরোপ চাইছে সেটি ভারতের হাতি দিয়েই ঘটাতে।মানে ভারতের হাত দিয়েই ভারত রাশিয়া বধ করতে চাইছে ইউরোপ।এবার রহস্যের ধাঁধা ভেদ করে আসল সত্যে আসা যাক। ইউরোপ যখন পুতিনকে কোন ভাবেই আটকাতে পারছে না। সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে রাশিয়া, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, এবং গোটা ইউরোপকে বিশ্বযুদ্ধের হুঙ্কার দিচ্ছে। তখন ইউরোপের সব দেশ চাইছে রাশিয়ার বৈশ্যিক শক্তিকে খর্ব করতে। আর তা হল পুতিন যেন কোন দেশে সফর করতে না পারে। কারণ পুতিনের বিদেশ সফর মানে কোন টুরিস্ট ভ্রমন নয়, অথবা কোন দেশের নেতা মন্ত্রীর নিমন্ত্রন রক্ষা করতে যাওয়া নয়। পুতিন তখনই কোন দেশে যায়, যখন সেই দেশের সঙ্গে সামরিক অথবা উর্জা সংক্রান্ত কোন বড় ড্রিল সাইন করার প্রয়োজন হয়। রাশিয়ার তেল থেকে শুরু করে পরমাণু সংক্রান্ত সাজ সরাঞ্জাম, এমন কি সামরিক অস্ত্র শস্ত্রের চাহিদা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। আর এর জন্যই রাশিয়ার অর্থনীতিকে দমাতে পারেনি ইউরোপ। সেই ইউরোপ এখন চাইছে পুতিনকে তার নিজের দেশেই বন্দি করে রাখতে। আর এই কাজে তাদের সাফল্য তখনই আসবে,যখন ভারত এই চুক্তিতে সই করবে। ভারতের চুপ থাকা বা মুখ খোলার দিকে তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু এখানে ইউরোপের লক্ষ্য কি শুধুই রাশিয়াকে থামিয়ে রাখা নাকি ভারতকেও একই সাথে থামিয়ে রাখা। সেটি আবার ভারতকে দিয়েই। এখন শোনা যাচ্ছে ২০২৬এর প্রথম দিকেই পুতিন ভারতে আসতে পারেন। এবং ভারতকে পুতিন এমন কিছু দিতে চান, যার সাহায্যে ভারত সামরিক শক্তিতে যে কোন দেশকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। তাহলে ইউরোপ, ন্যাটোজোট এবং বিশেষ করে আমেরিকা চাইছে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে। কিন্তু ভারতের সব থেকে খারাপ সময়ে, যখন কোন দেশ এগিয়ে আসেনি, তখন রাশিয়া ভারতকে সাহায্য করেছে। আর ভারতের পরম্পরা বলে ভারত বন্ধুর হাত ছাড়ে কোন সময়েই। ভারত লাভের অঙ্ক কষে বন্ধুত্ব্য করে না। তাই কোন পরিস্থিতিতেই যে, ভারত এই চুক্তিতে সাইন করবে না, রাশিয়া এটাই আশা করে। ইউরোপ অনুভব করেছে রাশিয়ার উপর এত বড় বড় প্রতিবন্ধকতা দিয়েও, এখনও রাশিয়া বিশ্বের সব থেকে বড় অস্ত্র বিক্রেতা দেশ। এখন যদি ভারত রাশিয়ার সম্পর্ক অটুট থাকে তাহলে বিশ্বে ক্ষমতার ভরকেন্দ্রের বদল হতে বেশী সময় লাগবে না। আর ভারত জানে যে কোন সময় যে কোন দেশ ভারতের বিরুদ্ধে যেতে পারে, কিন্তু রাশিয়া কখনই ভারতের বিরুদ্ধে যাবে না। তাছাড়া দেশের সুরক্ষার স্বার্থে রাশিয়ার সহযোগীতা ভারতের অত্যন্ত প্রয়োজন। অন্যদিকে ভারত পশ্চিমাদেশ গুলির সঙ্গেও অটুট সমঝোতা করে চলেছে। যে কারণে আফগানিস্তানকে মানবিক সাহায্য করলেও, এখনও আফগান সরকারকে স্বিকৃতি দেয়নি ভারত। ফলে পুতিনের বিদেশ সফর নিয়ে যে নিষেধাজ্ঞা গোটা বিশ্ব জুড়ে জারি করা হতে যাচ্ছে, তাতে ভারতের সাইন করাটা শুধু একটা সই নয়। এর গুরুত্ব এতটাই বেশী যে এই সই করা আর না করাতে লুকিয়ে আছে বিশ্বের শক্তির ভরকেন্দ্র কোন দিকে ঝুঁকে থাকবে সেই রহস্য। আর এই রহস্য উন্মোচন হওয়ার দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post