বহুল চর্চিত ভারতের চিকেন নেক বদলাতে চলেছে। সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশ হয়ত দখল করে নেবে ভারত। এইটা বলার কারণই হল পূর্ব থেকে পশ্চিমে মানুষের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা। আসলে লক্ষ্যটা হল বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি। পাকিস্তান থেকে ১ লক্ষ টন চাল আনবে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশকে ১ লক্ষ টন চাল দেবে। এ পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। কারণ, বাংলাদেশের বহু মানুষ এর ফলে খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারবে। কিন্তু সমস্যাটা অন্য। তা হল এই চাল করাচি বন্দরে লোড হয়ে আরব সাগর হয়ে বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আসবে। তারপর সেটি পৌঁছাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন মার্কেটে। এর খরচ আকাশ ছোয়া।
ভারতের যে চাল লরি বা ট্রাকে করে বাংলাদেশে প্রবেশ করত সেই চালই বাংলাদেশের মানুষ কিনে খায় প্রায় ১০০ টাকা ও তার বেশি কেজি মূল্যে। সব থেকে কম দামের চাল নূন্যতম ৬০ – ৭০ টাকা। যার ফলে বাংলাদেশের খেটে খাওয়া সাধারণ জনগণ সামান্য খেয়ে কোনও রকমে দিন গুজরান করেন। সেখানে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ চাল আমদানি করলে ১ লক্ষ টন চালের প্রতি কেজির মূল্য হবে প্রায় ২৫০ টাকা। যার ফলে এই বিপুল পরিমান মূল্যে চাল ক্রয় করতে অত্যন্ত সম্যসায় পড়ে ভুক্তভুগি হবেন বাংলাদেশের সাধারণ খেটে খাওয়া জনগণ। এর ফলে তাদের মুখে একবেলাও অন্ন জুটবে কিনা সেইটাই এখন প্রশ্ন চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পাশাপাশি ইতিমধ্যেই টিটিপি হামলা করেছে পাকিস্তানে। অন্যদিকে, আফগানিস্তান চুপচাপ থাকলেও পাকিস্তান হামলা করেছে আফগানিস্তানে। সেখানে বেশ কিছু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বেড়েছে চিকেন নেকে তৎপরতা। সেখান থেকে মাঝে মাঝেই গর্জন শোনা যাচ্ছে রাফেল যুদ্ধ বিমানের। সাথে শোনা যাচ্ছে সুখই এমকে ৩০ আই এর গর্জন। সেখানে অনুশীলন চলছে প্রতিনিয়ত। সেখানে রাডার গুলো অন এবং এস ৪০০ একটিভ। যে কোনও সময় যা কিছুই ঘটতে পারে। সিন্ধ প্রদেশের নাম বলে রাজনাথ সিং সবার নজর পাকিস্তানের দিকে রেখেছে। এর ফলে মানুষ ভাবছে যুদ্ধ হয়ত আসন্ন। সাথে ভারতের সেনাবাহিনী যে পরিমান তৎপরতা দেখাচ্ছে তাতে বাংলাদেশের সেনা প্রধান ও সেনাবাহিনী ভয়ে চুপ। বাংলাদেশ রক্ষা করে ভারত। বাংলাদেশের চারিদিকে ভারত বর্ডার দিয়ে ঘিরে আছে। সমুদ্র পথে বাংলাদেশে আসতে গেলেও ভারতের সীমা দিয়েই আসতে হয়। এ কারণেই একমাত্র ভারতের জন্য বাংলাদেশ নিরাপদে রয়েছে। সাম্প্রতিককালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনায় ভারত চাইলে অনেক কিছুই করতে পারত। কিন্তু বাংলাদেশকে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে দেখার কারণে ভারত এখনও চুপ আছে। তবে বাংলাদেশ এ লঙ্ঘন ভাঙলে আসন্ন সময় তাদের জন্য কঠিন হবে।












Discussion about this post