বিভিন্ন ইস্যুতে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে পদ্মা পাড়ের ভারত বাংলাদেশের সম্পর্কে। ইউনূস ও তার পোষ্য সন্তানদের ভারতবিদ্বেষী মনোভাব এমনকি প্রকাশ্য সভায় সেভেন সিস্টার্স থেকে চিকেন নেক দখল করার হুমকি এমনকি ভারতকে টুকরো টুকরো করে ভাঙ্গার ভাষণ মোটেও ভারত ভালো চোখে নেয়নি। তারই ফলস্বরূপ এবার সীমান্তে কড়া অ্যাকশন নিচ্ছে ভারতীয় সেনা?ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করে, সীমান্তরক্ষী বাহিনী যা বিএসএফ নামে পরিচিত তারা পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি করিডোর অর্থাৎ চিকেনস নেক এলাকায় ১২ ফুট উঁচু কনসার্টিনা বেড়া স্থাপন শুরু করেছে। প্রতিবেশী বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সবদিক থেকেই ভারত বাংলাদেশকে এক ঘরে করে দেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে বলে মত মদ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। উল্লেখিতভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলার সংবেদনশীল এলাকায় এই নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হয়েছে এই নতুন প্রকল্পটির মধ্য দিয়ে।প্রায় ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রশস্ত এই সংকীর্ণ অংশটি ভারতের মূল ভূখণ্ডকে আটটি উত্তর-পূর্ব রাজ্যের সাথে সংযুক্ত করে। নিরাপত্তার দিক থেকে এই অঞ্চলটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। কারণ এই অঞ্চল বাংলাদেশের খুবই নিকটবর্তী অঞ্চল তাই ভারত নিজের দেশকে রক্ষা করার পদক্ষেপ শুরু করে দিল। এতেই রাতের ঘুম উড়েছে মোল্লা ইউনূসের। কারণ বাংলাদেশ যেভাবে ভারতবিদ্বেষী মনোভাব ছড়াচ্ছে এবং ইউনূসের নেতাদের মুখে ভারত ভাঙ্গার হুমকি এছাড়া পাকিস্তানি জঙ্গিদের বাংলাদেশে গোপন ডেরা যা ভারতকে ভাবিয়ে তুলেছে।
তাই ভারত সীমান্তে বেড়া দেওয়ার পাশাপাশি ভারতীয় সেনার ২৪ ঘন্টা টহল, অতিরিক্ত ফ্লাডলাইট, থার্মাল ক্যামেরা এবং ড্রোন নজরদারিও বৃদ্ধি করেছে রাতারাতি। বাংলাদেশীদের অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, অবৈধ অভিবাসন এবং বাংলাদেশে অস্থিরতার বিস্তার রোধ করাই এটির প্রধান উদ্দেশ্য।সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তথ্য পেয়েছে যে বাংলাদেশে ক্ষমতা পরিবর্তন এবং সহিংসতার পর সমাজবিরোধী উপাদান এবং শরণার্থীদের সীমান্ত অতিক্রমের প্রবণতা বাড়তে পারে। সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ফলে হাজার হাজার মানুষ সীমান্তে প্রবেশ করেছে, যার ফলে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এবং ভারত থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের বাংলাদেশের ফেরানো এর আগেই শুরু হয়েছে এরই মধ্যে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো তলানিতে যাওয়ায় ভারত আবারও জোর কদমে অবৈধ বাংলাদেশিদের খুঁজে বার করছে এবং বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে। এতে করে বিএসএফ কর্মকর্তারা এই নবনির্মিত বেড়াটিকে একটি সক্রিয় নিরাপত্তা স্তর হিসেবে বর্ণনা করেছেন যা এই কৌশলগত এবং সংবেদনশীল এলাকাটিকে যেকোনও মূল্যে রক্ষা করবে।
ঘটনাক্রমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর, বাংলাদেশে ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। নতুন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে অপরাধী, মৌলবাদী উপাদান এবং শরণার্থীরা সীমান্ত অতিক্রম করার সুযোগ নিয়ে এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। সরকারপন্থী এবং বিরোধী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাম্প্রতিক সহিংসতার ফলে ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষ সীমান্তে পালিয়ে গেছে, যা ভারতের জন্য গুরুতর নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা বেড়াটিকে একটি সক্রিয় প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে বর্ণনা করেছেন যা এই ভূ-রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বাধাবিন্দুকে রক্ষা করবে। ফলে ইউনূস ও তার চামচা নেতারা ভারতের দিকে ঘুরে তাকাতে গেলেও দশবার ভাববে কারণ এই ভারত নবপ্রজন্মের ভারত এই ভারত মারের বদলা মার বন্ধুত্বের বদলা বন্ধুত্ব করার ভারত।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post