মৌলবাদের ভর করে চলা ইউনুসের এখন টার্গেট কি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সনাতনী হিন্দুরা। বাংলাদেশ জন্মের সময় থেকে হাসিনা আমল পর্যন্ত কোথাও কোন সংখ্যালঘু নির্যাতন সে দেশে লক্ষ্য করা যায়নি কিন্তু কালের নিয়মে ক্ষমতার সিংহাসনে আসা মোঃ ইউনূসের আমল হয়ে উঠেছে হিন্দু বিরোধী বাংলাদেশ? প্রশ্নটা শুধু নিউজ বর্তমানের নয় এই প্রশ্ন এখন গোটা বিশ্বের। প্রসঙ্গত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাসখানেক বাকি। ভোটের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততোই নিশানা করা হচ্ছে সে দেশের সনাতনী সংখ্যালঘুদের উপর। বিশেষ ভাবে নিশানা করা হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়কে। গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনাকে ‘বর্বর’ এবং ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।বাংলাদেশের ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু শ্রমিককে একদল জনতা পিটিয়ে হত্যা করে এবং তার মৃতদেহ একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ১৮ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, দীপুর বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ থেকেই এর সূত্রপাত। কিন্তু, তদন্ত চলাকালীনই সামনে আসে একটি অদ্ভূত বিষয়। জানা যায়, দীপু দাসের ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্যের কোনও সাক্ষী বা সরাসরি প্রমাণ নেই। ভারতে বসে এনডিটিভি-কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দীপু দাস হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিফলিত বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে ধর্মের নামে সহিংসতার কোন স্থান নেই, তা সত্ত্বেও এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগজনক ভাবে বারবার ঘটে চলেছে। এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একটি বৃহত্তর আকার যা বিকশিত হচ্ছে।’ইউনুস বরাবরই বঙ্গবন্ধু বিরোধী ভারত বিরোধী, মনোভাব প্রসন করে এসেছেন কিন্তু বাংলাদেশী জন্ম যেসব সংখ্যালঘু হিন্দু তাদের দোষ কোথায়? তারা কেন মোঃ ইউনুসের চক্রান্তের তুরুপের তাস হয়ে দাঁড়াচ্ছে।এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতে অজ্ঞাতবাসে থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ দেশে থেকেই তিনি বলেন, বাংলাদেশ ‘সংখ্যালঘুদের জন্য ক্রমশ অনিরাপদ হয়ে উঠছে কারণ রাষ্ট্র সকল নাগরিককে সমানভাবে রক্ষা করার মৌলিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই ভয়াবহ ধর্মীয় সহিংসতার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে না, এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, মহম্মদ ইউনূস নিজেও এ সব ঘটনার নেপথ্যে থাকা ধর্মীয় উদ্দেশ্যকে অস্বীকার করে চলেছেন। নিরাপত্তার এই অবক্ষয় কেবল সংখ্যালঘুদের জন্যই নয়, বরং বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ভিত্তির জন্যও হুমকি।’ পাশাপাশি বাংলাদেশে উগ্র চরমপন্থী ইসলামি মৌলবাদী প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর শাসনকালে দেশের সন্ত্রাসবাদী ইউনিটের উত্থান রোধ এবং সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার জন্য কাজ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘ইউনূসের নেতৃত্বে দণ্ডিত সন্ত্রাসবাদীরা জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে, চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলিকে রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতায় পুনর্বাসিত করা হয়েছে এবং সংখ্যালঘু ও মহিলাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা স্বাভাবিক করা হয়েছে।’বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে দেশটি যা অবস্থায় দাঁড়িয়েছে আগামী এক বছরের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশ পূর্বের অবস্থান অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের ফিরে গেলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারণ একটি দেশ একটি রাষ্ট্র তার মর্যাদা উদ্দেশ্যহীনভাবে চালিয়ে নিয়ে গেলে যা হয় মোহাম্মদ ইউনুছের রাজত্বে বাংলাদেশের এখন সেই অবস্থা। দেশের মধ্যে গজিয়ে ওঠা পাকিস্তানের সন্ত্রাসীদের আনাগোনা এবং বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ এর মতন স্লোগান শুনতে পাওয়া ও আন্দোলনের নামে সনাতনী হিন্দুদের পুড়িয়ে হত্যা করা এ সবেরই উত্তর একটাই। ইউনূস বাংলাদেশকে সংখ্যালঘু সনাতনী হিন্দু বিহীন রাষ্ট্র করতে চলেছে?
প্রশ্ন আমাদের উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post